পরকালে প্রিয়নবির শাফায়াত লাভে ইবাদতে করণীয়

পরকালে আল্লাহর রহমত এবং প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুপারিশ ব্যতিত সফলতার কোনো সুযোগ নেই। তাই আল্লাহর রহমত লাভ এবং প্রিয়নবির সুপারিশ লাভে ইবাদত বন্দেগিতে মনোযোগী হওয়া আবশ্যক। পরকালে প্রিয়নবির শাফায়াত লাভের জন্য ইখলাসের সঙ্গে ইবাদত বন্দেগি করা জরুরি। বান্দা ইবাদত-বন্দেগিতে ইখলাস অবলম্বনের ক্ষেত্রের যতবেশি অগ্রগামী হবে সে কেয়ামতের দিন ততবেশি শাফায়াত লাভের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেন- ‘কেয়ামতের দিন আমার শাফায়াত দ্বারা সবচেয়ে ভাগ্যবান হবে ওই ব্যক্তি যে ইখলাসের সঙ্গে (একনিষ্ঠভাবে) বলেছে, ‘আল্লাহ তাআলা ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই।’ (বুখারি) আলোচ্য হাদিসে দুটি বিষয় সুস্পষ্ট। পরকালে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফায়াত লাভ করতে হলে অবশ্যই তাকে তাওহিদের ওপর একনিষ্ঠ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। শিরকমুক্ত ঈমান লাভ করতে হবে। আর এ সব ইবাদত-বন্দেগিতে ‘তাওহিদ, রেসালাত ও আখেরাতের প্রতি ইখলাসপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে। তবেই প্রিয়নবির শাফায়াত সম্ভব হবে। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে শিরকমুক্ত ঈমান লাভ করে তাওহিদের একনিষ্ঠ ঘোষণা এবং সব ইবাদতে একনিষ্ঠ হওয়ার মাধ্যমে পরকালে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাফায়াত লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

2018-01-20T09:16:36+00:00January 20th, 2018|ইসলাম|
Advertisment ad adsense adlogger