বিউল ও সালাউদ্দিন বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছাড়া অপারেশনে নামেন

কুষ্টিয়া নিউজ ডেস্ক ॥রাজধানীর গুলশান-২ এর ৭৯ নম্বর রোডের রক্তাক্ত হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে সন্ত্রাসী হামলার প্রথম পর্যায়ে উদ্ধার অভিযানে গিয়ে গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে নিহত হন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) রবিউল করীম ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন খান।

সন্ত্রাসীদের হামলার খবর পেয়ে যে পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উপস্থিত হন, তাদের মধ্যে এসি রবিউল ও ওসি সালাউদ্দিন অন্যতম। তারা দুজনই দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে জিম্মিদের মুক্ত করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিলেন। বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছাড়া অপারেশনে নামেন ওই দুই কর্মকর্তা। এতে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গ্রেনেডে নিহত হন এসি রবিউল ও ওসি সালাউদ্দিন—এমনটিই জানিয়েছেন তাদের সহকর্মীরা। তবে নিহতদের পরিবারের আশা, যে জঙ্গিবাদের জন্য তারা স্বজন হারিয়েছেন, সে জঙ্গিবাদই একদিন ধ্বংস হবেই।

ঘটনার বর্ণনা

মর্মান্তিক ও শ্বাসরুদ্ধকর ওই দিনের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক জানান, সেদিন রাতে ঘটনা যখন শুরু তখন আমি মসজিদে তারাবির নামাজ পড়ছিলাম। ডিএমপি কমিশনার আমাকে কল করেন। আমি পরে নামাজ শেষ করে তাকে কল ব্যাক করি। তিনি আমাকে ঘটনা সম্পর্কে জানালেন। তাকে জানালাম আমি আসছি। গুলশানে যাওয়ার পর ডিএমপি কমিশনার আমাকে ঘটনাস্থলে না আসতে বলে জানালেন থানায় যেতে। সেখানে যাওয়ার পর শুনলাম ওসি সালাউদ্দিন আহত। সঙ্গে সঙ্গে আমি হাসপাতালে গেলাম। সেখানে গিয়ে দেখি ওসি সালাউদ্দিন মারা গেছেন। তার লাশ দেখলাম।

তিনি আরও জানান, তখনো এসি রবিউলকে বাঁচাতে চিকিৎসকেরা চেষ্টা করছেন। তিনি মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছিলেন। তার প্রচুর ব্লিডিং হচ্ছিল। প্রধানমন্ত্রীকে সবকিছু জানালাম। তিনি বললেন, ইউনাইটেডে কেন? সেখানে কিছু হবে না। আহতদের দ্রুত সিএমএইচে নিয়ে যেতে বললেন প্রধানমন্ত্রী। এমন সময় এডিসি ওবায়েদ এসে বলল, রবিউল মারা গেছে। এ কথা বলেই কেঁদে ফেলেন আইজিপি। একটু পর অতিরিক্ত কমিশনার মারুফ আহত হয়ে এলেন। এরপর একের পর এক বেশ কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে এল।

আইজিপি একটু স্বাভাবিক হয়ে বলেন, এই ছেলে (রবিউল) যদি আরও ৩০ বছর চাকরি করতে পারত তাহলে দেশ ও জাতিকে অনেক কিছু দিতে পারত। তার মতো কর্মকর্তার সংখ্যা আসলেই অনেক কম। তারা যে অবদান রেখে গেছে, তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে পারব না। তাদের পরিবারের দিকেও আমাদের খেয়াল রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) এক কর্মকর্তা ঘটনার বর্ণনা দিয়ে দ্য রিপোর্ট টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, এখনো ভুলতেই পারছি না সে ঘটনা। ঘটনাস্থলে এসে দেখি রবিউল এগিয়ে যাচ্ছে। সে সবার আগে গেল। বারবার ডাক দিচ্ছিলাম শোনার জন্য, যে তারা কী করতে চাচ্ছে। হাতটা ধরেছি, বললাম- দাঁড়ান, কোথায় যান? এরই মধ্যে একেবারে কাছাকাছি পৌঁছে গেল সে। এমন সময় আমার হাত থেকে মোবাইলটা মাটিতে পড়ে যায়। মোবাইলটা ওঠাতে না ওঠাতেই বিকট শব্দ হয়। শব্দ হওয়ার পর মনে হলো তার শরীরের মধ্যে কিছু হলো। এরপরই রবিউল পড়ে গেল। শুধু বলেছিল, স্যার বাঁচান। কী করব বুঝতে পারছিলাম না।

তিনি আরও জানান, বললাম আগে পরিস্থিতি বোঝেন। কিন্তু রবিউল ও সালাউদ্দিন যেন পাগল হয়ে গিয়েছিল। সালাউদ্দিন তো নিজের বুলেটপ্রুফ ভেস্ট খুলে কমিশনার স্যারকে দিলেন। তিনি বলছিলেন, স্যার অ্যাকশনে গেলে এখনই যেতে হবে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ওই দিন খবর শুনেই ঘটনাস্থলে গেলাম। কল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ছুটে আসলেন। আমরা ফায়ার করতে করতে ভেতরে ঢুকছিলাম। লোহার গেট পেরিয়ে ভেতরে ঢুকলাম। ক্লিনিকের সামনে গিয়ে সন্ত্রাসীদের আত্মসমর্পণ করতে বলে মাইকিং করা হলো। তখন একজন শেফ, গার্ড এবং আরও চারজন ভিকটিমকে নিয়ে আমরা ফিরছিলাম। এমন সময় গ্রেনেড হামলা হলো। দেখলাম ১০-১২ জন অফিসার মাটিতে পড়ে গেছেন। সন্ত্রাসীরা ককটেল-বোমা ছুড়ছিল, আমরাও কাউন্টার ফায়ার করছিলাম। এভাবে ২০-২৫ মিনিট হলো। হঠাৎ দেখলাম সালাউদ্দিন পড়ে গেছে। সঙ্গে র‌্যাব-১ এর কমান্ডিং অফিসার (সিও), অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসানসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তারা আমার সঙ্গেই ছিলেন। আহতদের ইউনাইটেড হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হলো। ডিসি গুলশান, ডিসি উত্তর, কর্নেল কামরুল, এসি জাহাঙ্গীরসহ ব্যাকআপ টিম এসে আমাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেয়।

তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তারা মারা গিয়েছেন, আহত হয়েছেন কিন্তু সাহস হারাননি। কারণ এটিই আমাদের দায়িত্ব। ওই সময় আর্জেন্টাইন নাগরিকসহ আটজনকে উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের সন্দেহের বাইরে রাখা হয়নি। পরে এডিসি আশিক ও এডিসি সানোয়ার পুরো এলাকা রেকি করে অপারেশনের পরিকল্পনা করেন। আমরা র‌্যাব মহাপরিচালকের (ডিজি) সঙ্গে পরামর্শ করলাম। সব প্রস্তুতি ছিল, কিন্তু পরে ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। আমাদের এ ধরনের অভিজ্ঞতা আগে ছিল না। কিন্তু দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্ব থাকায় আমরা তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, সালাউদ্দিনের মতো কমিটেড, সাহসী, ইন্সপাইরিং অফিসার খুব কমই আছেন। কল পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে আসেন। আমার ডানদিকে ছিলেন সালাউদ্দিন ও পেছনে শেখ মারুফ। সবচেয়ে কমিটেড কর্মকর্তারাই কল পেয়ে ঘটনাস্থলে আগে উপস্থিত হন। তারা নিজেদের জীবন বাজি রেখেছিলেন। আমরা নিহত দুই পুলিশ সদস্যের পরিবারের পাশে দাঁড়াব। আমরা শোকাহত কিন্তু ভীত নই। প্রতিহত করব প্রতিকারের মতো।

গুলশান জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার আবদুল আহাদ জানান, সালাউদ্দিন ভাই আমার থেকে মাত্র এক গজ দূরে ছিলেন। আমরা দুজন পাশাপাশি থেকে ক্ষিপ্রতার সাথে সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করতে ছুটেছিলাম। হঠাৎ করেই বিকট শব্দ। সালাউদ্দিনের গলায় এসে গ্রেনেডের আঘাত লাগে। একই গ্রেনেডে আমিও আহত হয়েছি। কিন্তু বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও হেলমেট পরে থাকার কারণে এ যাত্রায় প্রাণে বেঁচে গেছি। ওসি সালাউদ্দিনের পরিধানে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট বা হেলমেট ছিল না। দায়িত্ববোধের জন্যই এ রিস্ক নিয়েছিলাম।

সহকারী কমিশনার রবিউল করীম

গোয়েন্দা কর্মকর্তা মো. রবিউল করিম ১৯৮৬ সালে মানিকগঞ্জ সদর থানার কাটিগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কাটিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ভালুম আতাউর রহমান কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যলয় থেকে বাংলায় অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। রবিউল তার স্ত্রী উম্মে সালমা ও সাত বছরের ছেলে সাজিদুল করীমকে নিয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে থাকতেন। তার স্ত্রী ছিলেন অন্তঃসত্ত্বা। রবিউল ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগের মাদক নিয়ন্ত্রণ টিমে দায়িত্বরত ছিলেন। রবিউল বিসিএস পুলিশের ৩০তম ব্যাচের সদস্য। ২০১২ সালের জুন মাসে পুলিশ বাহিনীতে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগদান করেন। ডিবির আগে তিনি সহকারী পরিচালক হিসেবে র‌্যাব-৩ এ কর্মরত ছিলেন।

সহকর্মী পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, রবিউল কর্মজীবনে খুব সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে স্প্লিন্টারের আঘাতে অনাগত সন্তানের মুখ দেখার আগেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

এসি রবিউল বন্ধুদের নিয়ে ২০০৬ সালে মানিকগঞ্জের কাটিগ্রামে প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠা করেন ‘ব্লুমস’ নামের একটি স্কুল। তার মা করিমুন্নেসার দান করা জায়গার ওপর এটি নির্মাণ করা হয়েছে। ১২ জন শিক্ষার্থী নিয়ে স্কুলের যাত্রা শুরু হলেও এখন স্কুলে রয়েছে ৩২ জন শিক্ষার্থী। এদের কেউ বাক প্রতিবন্ধী, কেউ শ্রবণ প্রতিবন্ধী, কেউ অটিস্টিক। এদের অভিভাবকরা কেউ রিকশা চালান, কেউ ভ্যান চালান কেউবা দিনমজুরি করেন। কয়েক বছরের মধ্যেই স্কুলটি গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষের পরম আস্থা অর্জন করে।

আধা-পাকা একটি ছোট্ট ভবন নির্মিত হয়েছে দুজন সুইডিশের অর্থায়নে। এখনো নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। বর্ষাকালে চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে স্কুলে যাতায়াতের কাঁচা সড়কটি। শিশুদের চলাচলের সুবিধার্থে লায়ন্স ক্লাবের অর্থায়নে সম্প্রতি একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাও কেনা হয়েছে। সপ্তাহে ৩ দিন ৪ জন শিক্ষক পাঠদান করেন এ স্কুলে। স্কুলকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর বসা দু-তিনটি মেডিকেল ক্যাম্প এ অঞ্চলের জনসাধারণের চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকে। এসি রবিউলের বাবা প্রথমে এমন একটি স্কুল প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন। ২০০৫ সালে তিনি মারা যাওয়ার পর তিনি এ স্কুল প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন।

নিহত রবিউলের মা দ্য রিপোর্টকে জানান, আমার দুইটা ছেলে ছিল। ছাত্র থাকতেই ওদের বাবা মারা যায়। অনেক কষ্টে ওদের লেখাপড়া শিখিয়েছি। লেখাপড়া শেষ করে চাকরিতে গেল। ভাবলাম, আমার দুঃখের দিন শেষ। দেশের জন্য প্রাণ দিল বড় ছেলেটা, আমার ছোট ছেলেটার মাথার ওপর থেকে ছায়াটাও উঠে গেল। আমার ছেলেবউ আর আমার ছোট ছেলেটার কী হবে? ওর স্কুলটার কী হবে? এদের সবার ভবিষ্যৎ আল্লাহর ওয়াস্তে সরকারের হাতে তুলে দিলাম, যা করার উনিই করবেন।

ছোট ভাই সামসুজ্জামান শামস দ্য রিপোর্টকে জানান, আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই। সুষ্ঠু তদন্ত করে আসল অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। তাহলে দেশ থেকে ধীরে ধীরে জঙ্গিবাদ ধ্বংস হবে। আর যেন কাউকে এভাবে প্রাণ দিতে না হয়। সমাজের মূল ধারায় প্রতিবন্ধীদের একত্র করার স্বপ্ন দেখতেন আমার বড় ভাই। তিনি এখন নেই। তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন

বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন খানের বাড়ি গোপালগঞ্জ শহরে। এলাকার মানুষের কাছে ‘লুই’ নামে পরিচিত ছিলেন তিনি। এলাকায় এলে প্রতিবেশী ও পরিচিত মানুষদের খোঁজখবর নিতেন। প্রতিবছর ঈদের সময় গরিব মানুষকে নতুন কাপড় ও টাকা দিয়ে সহযোগিতা করতেন। সালাউদ্দিনের বাবা আবদুল মান্নান খান ছিলেন গোপালগঞ্জ এস এম মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। সাত ভাই আর চার বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন পঞ্চম। বাবার মৃত্যুর পর তিনিই পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন।

সালাউদ্দিন ১৯৮৪ সালে স্টার মার্কস নিয়ে শহরের এসএম মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ম্যানেজমেন্টে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। ১৯৯০ সালে তিনি পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। চাকরি জীবনে তিনি সুদান ও বসাবোতে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে যান। তিনি জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কারও পান। ব্যক্তিজীবনে তিনি এক মেয়ে ও এক পুত্র সন্তানের জনক। স্ত্রী রোমকিম গৃহিণী। সালাউদ্দিন মিরপুর থানায় থাকা অবস্থায় সেখানে একটি পাঁচতলা মসজিদ নির্মাণে সহযোগিতা করেছিলেন।

ওসি সালাউদ্দিনের বড় ভাই রাজিউদ্দিন খান দ্য রিপোর্টকে জানান, আমার ভাইয়ের লক্ষ্য ছিল নিরপরাধ মানুষদের উদ্ধার করা। সেখানে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাকে জীবন দিতে হলো। যে জঙ্গিদের সঙ্গে যুদ্ধ করে আমার ভাই শহীদ হয়েছেন, সেই জঙ্গির মূল একদিন বাংলাদেশের মাটি থেকে উৎপাটন হবেই। আমি আল্লার কাছে এ হত্যার বিচার চাই।

                                                                                                            

Advertisment ad adsense adlogger