(যশোর): একপ্রকার নিরবে আসছে ভারত থেকে কোটি কোটি টাকার মটর পার্টস। যার সিংহ ভাগ চলে যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর, সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
ভারত থেকে আসা এই পার্টস গুলো বিক্রয় হচ্ছে যশোরের বড় বড় সব পার্টসের দোকানে। ভারত থেকে য়ে পার্টস গুলো বাংলাদেশে আসে তার মধ্যে মটরসাইকেলের পার্টস, ট্রাক্টরের পার্টস এবং অনান্য গাড়ীর পার্টস। দেখা যায় এই পার্টস গুলো যে সমস্ত দোকানে বিক্রয় হয় তারা সবাই বড় ব্যবসায়ী তারা নিজেরাই ভারত থেকে পার্টস আমদানী করে থাকে। তারা যে পরিমান পার্টস ভারত থেকে আমদানী করে ঠিক তার তিন থেকে চার গুন পার্টস চোরায় পথে ক্রয় করে থাকে এজন্য তারা প্রশাশনের চোখ সহজেই ফাকি দিতে পারে কারণ তাদের আছে আমদানী রপ্তানী লাইসেন্স। উক্ত দোকানদার গণ ঐ চোরাই পার্টস বিভিন্ন ট্রান্সপোটের মাধ্যমে যশোরের বাইরে পাঠিয়ে দেয় ট্রান্সপোট মালের বৈধ্যতা দেখতে চাইলে তারা তাদের আমদানী করা মালের কাগজ দেখায় ফলে অবৈধ্য মাল হয়ে যায় বৈধ। মটরসাইকেলের পার্টস, গাড়ীর পার্টস ব্যবসায়ীরা আর,এন,রোডে তারা ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে। ট্রাক্টর পার্টস ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে চাঁচড়াতে। বাংলাদেশ এখন বেশীর ভাগ ট্রাক্টর ভারতের তৈরী ফলে ট্রাক্টর পার্টসের চাহিদা সব চাইতে বেশী। বাংলাদেশের অন্য কোন জেলাতে ট্রাক্টর পার্টস ব্যবসায়ী চোখে পড়ে না। ফলে ট্রাক্টর পার্টস ব্যবসায়ীরা আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ্য পার্টস আমদানী করা পার্টস বলে বিক্রি করছে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, চাঁচড়ার মোড়ে ২০ টি পার্টসের দোকান আছে। এই ব্যবসায়ীরা ৫ থেকে ৬ বছরে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে গেছে এবং এখন তারা রাজনীতিতে প্রবেশ করে তাদের কু-কর্ম ঢাকতে চাচ্ছে।
এই ধরনের মুখোশ ধারী চোরাচালানিদের  বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া একান্ত প্রয়োজন এব্যপারে যশোরের স্থানীয় প্রসাশন, কাষ্টমস্ ও ভ্যাট অফিসের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আর্কষণ করা হচ্ছে। আপনারা ব্যবস্থা নিন তারা যেন আর কোটি কোটি টাকার সরকারী ভ্যাট ফাঁকি দিতে না পারে।