ঝুঁকিতে সউদী শ্রমবাজার

ভুয়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার সার্টিফিকেট দেখিয়ে সউদী যাচ্ছে কর্মীরা : জিসিসির প্রতিনিধিদল ঢাকায় আসছে ভুয়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার সার্টিফিকেট দেখিয়ে সউদী আরব গমনেচ্ছু কর্মীদের ভিসা ইস্যু হচ্ছে দেদার। ঢাকাস্থ সউদী দূতাবাসে দফায় দফায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরও জিসিসির সিস্টেমে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ইউজার আইডি যাচাই-বাছাই ছাড়াই ওয়ার্ক ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে। এতে সউদী গমনেচ্ছু অধিকাংশ কর্মীকেই গামকার মেডিক্যাল পরীক্ষা ছাড়াই বিদেশে পাঠানো প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ সুযোগে জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই সউদী আরবে চলে যাচ্ছে। এতে করে দেশটিতে নানা রোগের প্রার্দুভাব ছড়াতে পারে। এ নিয়ে পরিস্থিতি অবনতির দিকে গড়ালে জনশক্তি রফতানির সবচেয়ে বড় বাজারে (সউদী আরবে) ধস নেমে আসতে পারে। অভিজ্ঞ মহল এ অভিমত ব্যক্ত করেছেন। অনেক রিক্রুটিং এজেন্সি গামকার অনুমোদিত মেডিক্যাল সেন্টারগুলোতে সউদী গমনেচ্ছু কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করেই দূতাবাসের সাথে যোগসাজস করে ভিসা সংগ্রহ করে তাদেরকে বিদেশে পাঠাচ্ছে। গামকার অনুমোদিত রাজধানীসহ চট্টগ্রাম ও সিলেটের ২৭টি মেডিক্যাল সেন্টার এখন বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীর অভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষার সংখ্যা সর্বনিন্ম পর্যায়ে চলে এসেছে। ফলে মেডিক্যাল সেন্টারগুলো আর্থিকভাবেও মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। বিএমইটির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, ১৯৭৬ সাল থেকে ভ্রাতৃপ্রতীম সউদী আরবে বাংলাদেশ থেকে কর্মী যাচ্ছে। ২০০৮ সালের শেষের দিক থেকে দেশটিতে অঘোষিতভাবে কর্মী যাওয়া বন্ধ ছিল। শুধু হাতে গোনা কিছু কর্মী সউদীতে যেত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাপক ক‚টনৈতিক তৎপরতায় ২০১৫ সাল থেকে সউদীর শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়। ওই বছর ৫৮ হাজার ২৭০ জন কর্মী সউদী আরবে চাকরি লাভ করে। ২০১৬ সালে দেশটিতে নারাী কর্মী নিয়োগের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ওই বছর এক লাখ ৪৩ হাজার ৯১৩ জন কর্মী চাকরি লাভ করে। ২০১৭ সালে সউদীতে জনশক্তি রফতানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় পাঁচ লাখ ৫১ হাজার ৩০৮ জনে। ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে সউদী আরবে ৫০ হাজার ৩১৬ জন নারী-পুরুষ কর্মী চাকরি নিয়ে গেছে। ওই মাসে গামকার ২৭টি মেডিক্যাল সেন্টারের মাধ্যমে ২৫ হাজার ৩২৯ জন কর্মী স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৯৯৮ জন কর্মীই স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করে সউদী আরবে গিয়েছে। অক্টোবর মাসে সউদী গমনকারী বাকি কর্মীরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়া কিভাবে ভিসা নিয়ে গেছে তা কেউ কিছু বলতে পারছে না। গত নভেম্বর মাসে গামকার মেডিক্যাল সেন্টারগুলোতে সউদীসহ বিভিন্ন দেশে যাওয়ার জন্য ১৫ হাজার ৯১৬ জন কর্মী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে বিদেশ গিয়েছে। অথচ ওই মাসে সউদী আরবেই গেছে ৫১ হাজার ১৪৯ জন কর্মী। এতেই বোঝা যায়, কি পরিমাণ সউদী গমনেচ্ছু কর্মী স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই দূতাবাস থেকে ভিসা নিয়ে দেশত্যাগ করেছে। গত ডিসেম্বর মাসে গামকার মেডিক্যাল সেন্টারগুলোতে বিভিন্ন দেশে গমনেচ্ছু স্বাস্থ্য পরীক্ষার কর্মীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৮৬ জনে। অথচ ওই ডিসেম্বর মাসে সউদী আরবেই গেছে ৩৭ হাজার ৪৪৬ জন কর্মী। গত ১ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত গামকার মেডিক্যাল সেন্টারগুলোতে মাত্র তিন হাজার ১১০ জন বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছে। অথচ ওই ১২ দিনে সউদীসহ বিভিন্ন দেশে চাকরি নিয়ে যাওয়ার জন্য বহির্গমন ছাড়পত্র লাভ করেছে ২৯ হাজার ৯৪৯ কর্মী। ঢাকাস্থ সউদী দূতাবাস কর্তৃপক্ষ একটু সজাগ হলেই এ অশুভ প্রক্রিয়ায় স্বাস্থ্য পরীক্ষাবিহীন কর্মীর ভিসা প্রাপ্তির পথ রুদ্ধ হবে। এতে বিধি বহির্ভূতভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ফাঁকি দিয়ে বিদেশে গমনের প্রতিযোগিতার দ্বার বন্ধ এবং দেশের ভাবমর্যাদা অক্ষুন্ন থাকবে। গামকার নির্ভরযোগ্য সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। সউদী সরকার ২০১৮ সাল থেকে অভিবাসী কর্মীর একক ভিসার (আকামা) নবায়ন ফি বর্ধিত করেছে। প্রতি বছর চার হাজার ৯০০ রিয়াল নির্ধারণ করেছে। গত বছর উল্লিখিত আকামার নবায়ন ফি ছিল ২২ শ’ রিয়াল। ২০১৯ সালে আকামা নবায়ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে সাত হাজার ৩০০ রিয়াল। ২০২০ সাল থেকে একক ভিসা নবায়ন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ হাজার ৭০০ রিয়াল। মক্কা ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী এম এ রশিদ শাহ সম্রাট বলেন, সউদী সরকার চলতি বছর থেকে বিদেশি কর্মীর আকামা ফি বৃদ্ধি করায় অনেক কোম্পানি কর্মী নিয়োগে অনীহা প্রকাশ করছে। তিনি সউদীর শ্রমবাজার যাতে হাতছাড়া না হয়, সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সকলকেই সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সউদী-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের চেয়ারম্যান বজলুল হক হারুন এমপি ও গামকার জেনারেল ম্যানেজার লাহুয়ার রহমান ঢাকাস্থ সউদী রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ এইচ এম আল-মুতাইরি’র সাথে তার দফতরে দেখা করে জিসিসি’র ইউজার আইডিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা যাচাই-বাছাই ছাড়াই ওয়ার্ক ভিসা ইস্যু করায় উদ্ভূত নানা সমস্যার বিষয়টি তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে তাদের কথা শোনেন এবং এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন। রাষ্ট্রদূত ওই বৈঠকে তাৎক্ষণিকভাবে দূতাবাসের ভিসা কন্স্যুলারকেও ডেকে আনেন এসব ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন। সংসদীয় গ্রুপের চেয়ারম্যান বজলুল হক হারুন এমপি ইনকিলাবকে বলেন, সউদীসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাতটি দেশের অনুমোদিত গামকার মেডিক্যাল সেন্টারগুলোর মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দীর্ঘ দিন যাবত সুনামের সাথে কর্মীরা বিদেশে যাচ্ছে। ভ্রাতৃপ্রতীম সউদী আরবের সাথে বাংলাদেশের ক‚টনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত উদ্যোগে দীর্ঘ দিন পর সউদীর শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে। কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে সউদীর সম্ভাবনাময় শ্রমবাজার হাতছাড়া হতে দেয়া হবে না। তিনি বলেন, কিছু ব্যক্তির অসৎ উদ্দেশে জিসিসি’র অনুমোদিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ইউজার আইডি ব্যবহার না করে কোনো ফাঁক-ফোঁকরে ভিসা ইস্যু অব্যাহত থাকলে কর্মী গ্রহণকারী দেশগুলোতে গিয়ে কর্মীরা আনফিট হয়ে পড়বে। ফলে নিরীহ কর্মীরা আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়বে। এতে সউদী আরবের বৃহৎ শ্রুমবাজার নিয়ে অশনীসঙ্কেত দেখা দিতে পারে। অভিবাসন ব্যয় সহনীয় পর্যায়ে কমিয়ে আনা এবং বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনতিবিলম্বে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বজলুল হক হারুন এমপি। বজলুল হক হারুন এমপি গামকার স্বাস্থ্য পরীক্ষা যথাযথ যাচাই-বাছাই করে ওয়ার্ক ভিসা ইস্যুর বিষয়টি নিশ্চিতকরণের জন্য সউদী সরকার ও বাংলাদেশ সরকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন। রাতে আল-ফালাহ মেডিক্যাল সেন্টারের উপদেষ্টা খন্দকার আবিদ হোসেন ইনকিলাবকে বলেন, গামকার অনুমোদিত ২৬টি মেডিক্যাল সেন্টার কর্মীর অভাবে নিজেরাই চলতে পারছে না। গামকার মেডিক্যাল সেন্টারগুলো প্রতিদিন চার-পাঁচজন কর্মীও পাচ্ছে না স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য। কিন্ত জিসিসি কর্তৃপক্ষ আরো অর্ধশত নতুন মেডিক্যাল সেন্টারকে গামকার অর্ন্তভুক্ত করার জন্য আগামী মাসে ঢাকায় প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে। জিসিসির ১২ নম্বর ধারায় রয়েছে- দৈনিক ৫০ জন কর্মী না হলে সে সব মেডিক্যাল সেন্টারকে অনুমোদন দেয়া যাবে না। খন্দকার আবিদ হোসেন বলেন, কোনো বিধি তোয়াক্কা না করে গামকার অধীনে নতুন মেডিক্যাল সেন্টারকে অনুমোদন দিয়ে জিসিসি প্রতি সেন্টার থেকে মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার নিয়ে যাবে। আল-ফালাহ মেডিক্যাল সেন্টারের স্বত্বাধিকারী ও গামকার সাবেক মহাসচিব আব্দুর রাকিব মুকুল বলেন, বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীর অভাবে আমরা স্টাফদের বেতন-ভাতা দিতে হিমশিম খাচ্ছি। অথচ জিসিসি নতুন মেডিক্যাল সেন্টার অনুমোতি দিতে লেটার আহ্বান করেছে। ৭৯টি নতুন মেডিক্যাল সেন্টার পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার দিয়ে জিসিসিতে গামকার সদস্য লাভের দরখাস্ত জমা দিয়েছে। তিনি বলেন, জিসিসি কি কারণে কার স্বার্থে নতুন মেডিক্যাল সেন্টার দেয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে তা বোধগম্য নয়। জিসিসি নতুন মেডিক্যাল সেন্টার না দিয়ে যথাযথ নিয়ন্ত্রণ করলে কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা হবে বলেও অভিমত ব্যক্ত করেন।
রোববার দুপুরে গুলশানস্থ ওয়েস্ট ইন হোটেলে গামকার জরুরি সভায় জিসিসির সিস্টেমে ইউজার আইডির মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরীক্ষার যাচাই-বাছাই ছাড়াই সউদী দূতাবাস থেকে প্রতিনিয়ত ওয়ার্ক ভিসা ইস্যু হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। গামকার সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে এতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দূতাবাসের ভিসা সেকশনের কর্মকর্তাদের সাথে যোগসাজস করে ইউজার আইডিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষা যাচাই-বাছাই না করেই সউদী গমনেচ্ছু কর্মীদের ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে। এ সুযোগে অনেক অসুস্থ্য কর্মীও অবাধে সউদী আরবে চলে যাচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকেই এক দেড় মাস পর মেডিক্যাল পরীক্ষায় অসুস্থের বিষয়টি ধরা পড়ায় দেশে ফেরত আসছে। বৈঠকে জানানো হয়, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে জিসিসির উচ্চ পর্যায়ের পরিদর্শন দল ঢাকায় আসবেন। উল্লিখিত প্রতিনিধি দল কি পরিমাণ রোগাক্রান্ত কর্মী মধ্যপ্রাচ্যের সাতটি দেশে গিয়ে ফেরত এসেছে, তার পরিসংখ্যান নিয়ে আসবেন বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়েছে। গামকা কর্তৃপক্ষ উদ্ভূত সঙ্কট দ্রুত নিরসনের দাবিতে গত ৫ আগস্ট, ২৫ সেপ্টেম্বর ও ১৮ অক্টোবর ঢাকাস্থ সউদী রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ এইচ এম আল-মুতাইরি’র কাছে লিখিত আবেদন পেশ করেছেন। তারা গত ২৩ সেপ্টেম্বর রিয়াদস্থ জিসিসির ডিরেক্টর জেনারেল সুলাইমান সালেহ আল-দাকহীল ও রোগ নিয়ন্ত্রক ও অভিবাসী স্বাস্থ্য প্রোগ্রামের ডিরেক্টর ডা. বাশির আল-সুফাইনীকে লিখিতভাবে বিষয়টি অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন। গামকার মহাসচিব ড. শিরীন আক্তার গত রাতে ইনকিলাবকে বলেন, দীর্ঘ দিন সউদীর বৃহৎ শ্রমবাজার অঘোষিতভাবে বন্ধ ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাপক ক‚টনৈতিক উদ্যোগের পর সউদীর শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়েছে। গত ১ মে থেকে গামকার ২৭টি মেডিক্যাল সেন্টার সউদী দূতাবাসে ভিসা প্রক্রিয়া অংশ নিতে পৃথক পৃথক ইউজার আইডি লাভ করেছে। এর আগে গামকাই শুধু একটি ইউজার আইডি ব্যবহার করে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করত। তখন স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়া কেউ সউদী আরবে যেতে পারত না। তিনি বলেন, সউদী দূতাবাসের ভিসা সেকশনের চোখে ফাঁকি দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই ভিসা পাওয়ার পথ সুগম হওয়ায় অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো বিদেশ গমনেচ্ছুক কর্মীদের গামকার মেডিক্যাল সেন্টারগুলোতে পাঠাচ্ছে না। ফলে গামকার অনুমোদিত মেডিক্যাল সেন্টারগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের আগমন অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। এতে গামকার মেডিক্যাল সেন্টারগুলো বর্তমানে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। পরিস্থিতি এমন দিকে গড়াচ্ছে, এসব বিষয় দেখার কেউ নেই। এভাবে চলতে থাকলে জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও সউদী আরবে গিয়ে রোগ-জীবাণু ছড়াতে পারে। তিনি উভয় দেশের স্বার্থে দ্রুত ভুয়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার সার্টিফিকেটে ভিসা প্রাপ্তির পথ বন্ধ করার প্রত্রিয়া কাজে লাগানোর জন্য সউদী রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ এইচ এম আল-মুতাইরি’র আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

2018-01-16T09:51:34+00:00January 16th, 2018|বাংলাদেশ|
Advertisment ad adsense adlogger