পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ……

সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী রফিকুল ইসলাম (ডালিম) এর জমি-জাতি চাষাবাদে বাধা প্রদান ও মামলা তুলে নিতে প্রাণনাশের হুমকি এবং ৫০,০০০/- টাকা চাঁদা দাবী
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কুষ্টিয়া মিরপুরের মালিহাদ ইউপি’র গোপিনাথপুর গ্রামের সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ আব্দুল হামিদ যেন চরম বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। কোন কিছুকেই সে তোয়াক্কা করছে না। প্রশাসনকে হাতের মুঠোয় রেখে নির্বিঘেœ তার সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে। এলাকাবাসী চরম অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ আব্দুল হামিদের কর্মকান্ডে। উল্লেখ্য সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু আব্দুল হামিদ ইতিপূর্বে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী রফিকুল ইসলাম (ডালিম) এর উপর দুইবার হামলা চালিয়েছিল।

এ বিষয়ে একটি মামলা গ্রাম আদালতে চলে গেছে ও আর একটি মামলা কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতে চলমান আছে। এ বিষয়ে দ্বিতীয় মামলার নং- মিরপুর সি আর ৬৭। মামলাটি তদন্ত সাপেক্ষে আসামীর প্রতি সমন জারি হয়। তারপর তারা আদালতে জামিন নিয়ে কোর্ট চত্বর থেকে আবার হুমকি প্রদান করে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য। এই হুমকির দরুণ কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি জিডি করা হয়। এখন আইনের গ্যাড়াকলে পরতে যাচ্ছে এই আশঙ্কায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী রফিকুর ইসলাম (ডালিম) এর গ্রামের আবাদী জমি চাষাবাদে বাধা প্রদান করছে মামলা তুলে নেওয়ার দাবীতে এবং শুধু জমি-জাতি চাষাবাদে বাধা প্রদান করেই ক্ষান্ত হয়নি অধিকন্তু ৫০,০০০/- টাকা চাঁদাও দাবী করেছে। সাধারণ জনগণের মনে এখন ভীতির সঞ্চার হয়েছে যে তার সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুর খুঁটির জোর কোথায়? নাকি অসাধু পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে সে এই ধরনের ঘৃণ্য ও নেক্কার জনক অপকর্ম গুলো করে যাচ্ছে। তবে আব্দুল হামিদের দম্ভোক্তি কোন প্রশাসনই তার কোন পশম ছেড়ার ক্ষমতা রাখে না।

এখন এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপার মহোদয়ের প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক হয়ে পড়েছে। অন্যথায় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু আব্দুল হামিদ আরো বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছে এবং যাবে, সেই সাথে এলাকাবাসীকে চরমভাবে অতিষ্ট করে তুলছে এবং তুলবে।

Advertisment ad adsense adlogger