ইবি ক্যাম্পাসে টুরিজম বিভাগের সভাপতি ড. মাহবুবুল আরফিন চলছে সমালোচনার ঝড়, বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য!

স্টাফ রিপোর্টার
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের টুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আরফিন বিরুদ্ধে গত ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্টিত ৬২তম সিন্ডিকেট তথ্য গোপনের অভিযোগে গৃহীত ব্যবস্থা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশের পর হতে ইবি ক্যাম্পাসে আড্ডার প্রধান বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে ড. আরফিন। কেউ কেউ বলছে শিক্ষকতার পেশায় এসে এত বড় অনৈতিক কাজ করা কোননভাবেই ঠিক হয়নি। আবার কেউ বলছে প্রতি প্রশাসনে অবৈধ সুবিধা নিতে নিতে অভ্যাসে পরিনত হয়েছে কিন্তু বর্তমান প্রশাসন দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহন করায় সুবিধা করতে পাচ্ছেন না বলেই তিনি বড় বড় ব্যক্তিবর্গের নাম ভাঙ্গিয়ে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে সুবিধা নিচ্ছেন। আবার সামনে উঠে আসছে সেই যৌন হয়রানীর অডিও। আজও বিচার পাননি নির্যাতিত ছাত্রী। তবে সাধারনের দাবী উঠেছে এই দূর্নীতিবাজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়া হলে কালিমা লেপন শুধু ইবি কেন সমগ্র শিক্ষক সমাজের উপর বর্তাবে। এ প্রসঙ্গে প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো: কামাল উদ্দিন বলেন, নীতিরক্ষেত্রে আমি আপোষহীন। আরেফিন জেনেশুনে এরকম কাজ করলে শিক্ষক হিসেবে বলব কাজটি ভাল হয়নি। তাঁর উচিৎ ছিল প্রশাসনকে পূর্বেই জানানো। উনার ফ্যামিলির সব খবর আমি জানি, দেখি আমি জানতে চাইব কেন তিনি এটি করলেন? । ইবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো: মিজানুর রহমান বলেন, জেনেশুনে তিনি যে কাজটি করেছেন একজন সচেতন শিক্ষক হিসেবে আমি মনে করি তা আইনের পরিপন্থি। এটা করা ঠিক হয়নি।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এইচ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমার ৩৫ বছর শিক্ষকতা জীবনে এরকম জঘন্য অনৈতিক শিক্ষক দ্বিতীয়টি দেখিনি। আমি মর্মাহত। উল্লেখ্য কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গত ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ অনুষ্টিত ৬২তম সিন্ডিকেটে তথ্য গোপনের অভিযোগে অভিযুক্ত করে বিষয়টি গর্হিত অন্যায় ও নৈতিকতা বিরোধী অপরাধ চিহ্নিত করে বিশেষজ্ঞ সদস্য হতে ড. আরফিনকে অপসারণ ও আজীবনের জন্য দূনীতিবাজ শিক্ষকের কালো তালিকাভুক্ত করে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রকার কর্মকান্ডে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য এই সিদ্ধান্ত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অফিসিয়ালী প্রেরণের নির্দেশ দেয়া হয়।
ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশীদ আসকারী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, ব্যবস্থা নেয়া হবে।