ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের অনার্স (স্নাতক) ১ম বর্ষের ভর্তি আবেদনের তারিখ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে এবছর থেকে প্রতিটি ভর্তি আবেদন ফরমের মূল্য ৪৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়েছে। ফরমের মূল্য বৃদ্ধি করায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন মহলে। তারা মনে করছেন শিক্ষকদের পকেট ভারী করতে এ মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।vএ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, ‘ফরমের মূল্য বৃদ্ধি করা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে নয় বরং শিক্ষকদের পকেট ভারী করতে। ভর্তি পরীক্ষা থেকে মাত্র ২০-২৫ শতাংশ টাকা ফান্ডে জমা হয় আর মোটা অংকের টাকা শিক্ষকদের পকেটে চলে যায়। অনেক শিক্ষক আছেন যারা ভর্তি পরীক্ষা থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত পান।’এ বিষয়ে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন ইবি শাখার সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত তিমির বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে ব্যবসায় পরিণত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা সম্পূর্ন অযৌক্তিক। সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে প্রশাসনকে এ ব্যাপারে নতুন সিদ্ধন্ত নেয়া উচিত। এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী বলেন, আমি গত বছর ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করেছি। এবার ৪০ শতাংশ অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের মুল বাজেটে যোগ করা হবে। খুব শীঘ্রই আমাদের এফসির সভায় এটা পাশ করা হবে। ভর্তি ফরমের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে আমাদের ভর্তি ফরমের মূল্য তুলনামুলক কম। বিভাগ বৃদ্ধির কারনে ব্যায় বেড়ে গেছে তাই প্রাসংঙ্গিক কারনে মূল্য বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।