কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষ্যে ৮ম দিনে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষ্যে ৮ম দিনে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে কুষ্টিয়া পৌরসভার ১৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষ্যে ৮ম দিনের আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম আলতাফ জর্জ । কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়র আনোয়ার আলীর সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক সফল প্রক্টর ও সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ১০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গোলাম মোস্তফা লাভলু।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেলিম আলতাফ জর্জ বলেছেন, কুষ্টিয়া আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের কান্ডারী মেয়র আনোয়ার আলী। আমি শৈশবকাল থেকেই পারিবারিক ভাবে তাঁকে চিনি এবং জানি। কারন রাজনৈতিকভাবে আমার দাদা এবং চাচার সাথে তাঁর ছিল গভীর সম্পর্ক । কুষ্টিয়ার রাজনীতির কথা উঠলেই পৌর পিতা আনোয়ার আলীর কথা আলোচনায় চলে আসে। বর্তমানে কুষ্টিয়ার রাজনীতিতে তিনি আমাদের সকলের মুরব্বী। তিনি আরও বলেন, আনোয়ার আলী একদিকে রাজনীতিবীদ অপরদিকে যোগ্য প্রশাসক।
বিশেষ অতিথির ইসলামী বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক সফল প্রক্টর ও সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান বলেন, আনোয়ার আলী পৌর পিতা হিসেবে আমাদের অহংকার। তাঁকে নিয়ে আমরা গর্ববোধ করি। একজন জ্ঞানী এবং গুণী মানুষের মধ্যে যে সকল গুণাবলী থাকা প্রয়োজন তার সব কিছুই রয়েছে আমাদের পৌর পিতার মধ্যে রয়েছে। পৌর পিতা হিসেবে তিনি শুধু নাগরিক সেবা প্রদানের মধ্যেই তাঁর কর্মকান্ড সীমাবদ্ধ রাখেন নি। তিনি বহুমুখি কর্মকান্ডের মধ্যে দিয়ে পৌরবাসীকে সু-নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর সকল কর্মকান্ড একদিন উদাহরণ হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাসড়কে চলমান। প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের দেশ এগিয়ে চলেছে। আমরা বিশ্বদরবারে মাথা উচুঁ করে দাঁড়াবার সুযোগ পেয়েছি। ২০৪১ সালের মধ্যে এদেশ অবশ্যয় উন্নত দেশে পরিণত হবে। আর এ দায়িত্ব তরুন প্রজন্মকেই নিতে হবে। একটি প্রজন্ম এ দেশকে উপহার দিয়ে গেছেন। আরেকটি প্রজন্ম এদেশকে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন। পরের প্রজন্মের দায়িত্ব হবে এ দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার।

সভাপতির বক্তৃতায় মেয়র আনোয়ার আলী বলেন, পৌরসভার বিভিন্ন কর্মকান্ডে পৌরবাসী যেভাবে আমাদেরকে সহযোগিতা করে চলেছেন, এজন্য পৌর পরিষদের পক্ষ থেকে আমি পৌরবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন, আমার সাধ্য অনুযায়ী আমি পৌরসভার উন্নয়নে কাজে করে চলেছি। কিন্ত অনেক ক্ষেত্রে ইচ্ছে থাকলেও আর্থিক সংকটের কারণে তা বাস্তবায়ন করতে পারছিনা।
আলোচনা শেষ স্থানীয় শিল্পি, সুন্দরোম একাডেমি এবং শিল্পী আশিক একক গানের মধ্যদিয়ে দর্শকদের মাতিয়ে তোলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন শহর পরিকল্পনাবিদ রানভির আহমেদ এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী সাবিনা ইসলাম।

Advertisment ad adsense adlogger