শিক্ষা অফিসারের দৃষ্টি আকর্ষণ….
কুষ্টিয়া দৌলতপুরের প্রাগপুর ইউনিয়নে অবস্থিত মহিষকুন্ডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রতিনিয়ত বিভিন্নভাবে দূর্নীতি বেড়েই চলেছে। তেমনিই এক দূর্নীতি পরিলক্ষিত হয়েছে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে। সকলের হয়তোবা জানা বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক এদেশের সরকারী-বেসরকারী সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য নিয়মতান্ত্রিকভাবে ম্যানেজিং কমিটি গঠন আবশ্যক। নিশ্চয়ই এর ব্যতিক্রম নয় অত্র বিদ্যালয়টি।
এ বিদ্যালয়ে পূর্বে গঠিত ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ শেষ হলে পরবর্তী কমিটি গঠনকল্পে বর্তমান প্রধান শিক্ষক জনাব নাজিম উদ্দিন ভোটার তালিকা প্র¯তুত পূর্বক তফশিল ঘোষনার মাধ্যমে মনোয়ন পত্র আহ্বান করেন। কিšতু নির্ধারিত সময়ে মনোয়ন পত্র জমা না নেওয়ার জন্য বিদ্যালয় অফিসে তিনি অনুপস্থিত থাকেন। অবশেষে বিভিন্ন তালবাহানা করে বিশৃংখলার অভিযোগ এনে নির্বাচন স্থগিত করেন। কিšতু হঠাৎ করেই অতিগোপনে পূর্ণাঙ্গ ম্যানেজিং কমিটি গঠন করে জন সমক্ষে প্রকাশ করলে অভিভাবকগণ উত্তেজিত হয়ে উঠে। তারা জানায়, ম্যানেজিং কমিটি গঠনের পূর্বে কোন সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি এবং মাইকিং করা হয় নাই। গোপনে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের উদ্দেশ্যই নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ আতœসাৎ করা এবং অযোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া। অভিভাবক সূত্রে আরো জানা যায়, পূর্বে নিয়োগকৃত চারজন শিক্ষকের কাছ থেকে প্রচুর অর্থ আতœসাৎ করা হয়েছে।
অত্রাবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সাথে কথা বলে আরো জানতে পাওয়া যায়, এ কমিটি গঠন করার প্রাক্কালে শিক্ষক প্রতিনিধি নিয়োগ ও নিয়ম বর্হিভূত ভাবে গোপনে হয়। প্রধান শিক্ষকের এমন স্বেচ্ছাচারীতা এবং হীনমন্যতার জন্য অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে যা যে কোন সময় বিভংস ঘটনা ঘটে যেতে পারে। শিক্ষার পরিবেশ নষ্টকারী প্রধান শিক্ষক ও তার সকল দূর্নীতির সহকর্মী সহকারী শিক্ষক মোঃ শামীম হোসেনের দূর্ণীতি কার্যক্রম বন্ধ করতে শিক্ষামন্ত্রালয় সহ শিক্ষা সংশিষ্ট সকল কর্মকর্তার হ¯তক্ষেপ অতীব জরুরী।