‘আদর্শ ত্বক’ হবে পরিষ্কার, দাগহীন, সতেজ, টান টান, নমনীয় ও মসৃণ। ভাবছেন এত কিছু একসাথে পাওয়া সম্ভব নয়। কেননা আপনার ত্বক অনেক বেশি সেনসেটিভ। এই সেনসেটিভ ত্বকে সব কিছুই মানিয়ে যাবে তা হয়তো না। এই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে আপনি কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে সঠিক ময়েশ্চারাইজার হতে পারেন আপনার নিত্য সঙ্গী।

এই বিষয়ের উপর রূপচর্চা বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে ত্বকের ধরণ অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার নির্বাচন ও তা ব্যবহারের উপকারিতা এখানে দেওয়া হল।

ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার-

 স্বাভাবিক ত্বকের জন্য ওয়াটার বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। ওয়াটার বেসড ময়েশ্চারাইজারে সামান্য পরিমাণে তেল থাকে।

 শুষ্ক ত্বকের জন্য ক্রিম বেজড ময়েশ্চারাইজার উপযোগী। গ্লিসারিন, ল্যাক্টিড অ্যাসিড রয়েছে এই ধরনের ময়েশ্চারাইজারও ব্যবহার করা যেতে পারে।

 তৈলাক্ত ত্বক নিয়ে অনেকেই সমস্যায় ভোগেন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ব্যবহার করুন অয়েল ফ্রি ময়েশ্চারাইজার।

 এই ধরনের ময়েশ্চারাইজার ব্রণ প্রবণ ত্বকের জন্যও খুব উপযোগী। অয়েল ফ্রি ময়েশ্চারাইজারে ভেজিটেবল অয়েল, অ্যানিম্যাল ফ্যাট ইত্যাদি থাকে না।

 যাদের ত্বক মিশ্র বৈশিষ্ট্যের তারা ব্যবহার করুন লাইট, হাইড্রেটিং ময়েশ্চারাইজার। দিনে দু’বার এই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

 সেনসেটিভ ত্বকের জন্য ভিটামিন-এ, সি এবং ই, জিঙ্ক এবং গ্রিনটি যুক্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। এই ধরনের ত্বকের জন্য সুগন্ধবিহীন ময়েশ্চারাইজারই আদর্শ।

কিছু টিপস-

 গোসলের পর ত্বকে ভেজা ভাব থাকতে থাকতে তেল বা ক্রিম লাগানোর অভ্যাস করুন। প্রতিদিন সকালে ও রাতে দু’বার ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। ভেজা ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগালে ত্বকে অতিরিক্ত ময়েশ্চার বজায় থাকে।

 ময়েশ্চারাইজার লাগানোর পর সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করুন। বাইরে বেরোনোর অন্তত ১৫ মিনিট আগে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।

 ক্লিনজিং টোনিংয়ের পর ময়েশ্চারাইজিং অবশ্যই করা উচিত। হাতের তালুতে নিয়ে সম্পূর্ণ মুখে ময়েশ্চারাইজার লাগান ।