সিজারিয়ান পরবর্তী পরামর্শসিজারিয়ান পরবর্তী পরামর্শ

ইদানীং সিজারিয়ানের হার বেশ বেড়ে গেছে। সিজারিয়ান পরবর্তী সময়ে মাকে অবশ্যই নিজের কিছু যত্ন নিতে  হবে। কারণ সঠিক পরিচর্যা ও পরামর্শ অনুযায়ী না চলে তবে সিজারিয়ান মাকেই অনেক অহেতুক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে। যা তার কাম্য নয়। প্রথমত, সিজারিয়ান মাকে সুষম খাবার খেতে হবে। প্রচুর পানি পান করতে হবে। প্রস্রাব আটকে রাখা যাবে না। রাতে ৮ ঘণ্টা এবং দিনে ২ ঘণ্টা মোট ১০ ঘণ্টা বিশ্রাম নিতে হবে। অনেকে বাচ্চার জন্য রাতে ঠিকমতো বিশ্রাম নিতে পারেন না সেক্ষেত্রে বাচ্চা যখন ঘুমাবে তখন আপনিও ঘুমিয়ে নিতে পারবেন। সিজারের পর বেশ কিছুদিন পেটে ব্যথা অনুভূত হয়। সেই সময় ব্যথার ওষুধ ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী সেবন করতে হবে। সিজারের পরবর্তী ৩ মাস ভারি কাজ করবেন না। তবে স্বাভাবিক কাজকর্ম করা যাবে। ড্রেসিং খুলে দেয়ার পর নিয়মিত গোসল করবেন এবং কাটা স্থানে সাবান ও পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলবেন। অনেকেই মনে করেন কাটা স্থানে সাবান বা পানি লাগানো যাবে না এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। ড্রেসিংয়ের পর সাধারণত ডাক্তার একটা মলম লিখে দেন সেটা কাটা স্থানে দিনে ২ বার ৭ দিন লাগাবেন। অনেকের কাটা স্থানে একটু চুলকায় আর চুলকাতে চুলকাতে কাটা স্থান ফুলে যায় আবার একটু পানি পানি কষ বের হতে দেখা যায় যদি কারও এই রকম হয় তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। অনেকের এ্যালার্জির কারণেও এটা হতে পারে। যদি আপনি বুঝতে পারেন যে বিশেষ কোন খবারÑ যেমন গরুর মাংস, ইলিশ মাছ, চিংড়ি মাছ, পুঁইশাক ইত্যাদির কারণে কাটা স্থানে চুলকানি বাড়ে তবে তা পরিহার বা খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন। ইদানীং আধুনিক চিকিৎসার দরুন কসমেটিক সিজারিয়ান করানো হয় এতে সেলাই খোলার পর অর্থাৎ ড্রেসিংয়ের পর পরই কাটা স্থান শুকিয়ে যায়। আর কাটা স্থানে তেমন কোন দাগ থাকে না বা তেমনভাবে বোঝা যায় না। তবে কাটা স্থানে দাগ না হওয়ার জন্য এক রকম জেল পাওয়া যায় ওটা ব্যবহার করতে পারেন। আর ২ বছরের মধ্যে যেন ঈড়হপরাব না করেন সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখবেন।

 

2018-01-31T09:04:52+00:00January 31st, 2018|স্বাস্থ্য|
Advertisment ad adsense adlogger