ভারতে মহারাষ্ট্র পুলিশের সন্ত্রাস দমন শাখা এক ব্যক্তিকে ধর্মান্তর করতে চাপ দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে।

অার্শিদ কুরেশি নামের ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কেরালার এক ব্যক্তি অভিযোগ জানিয়েছেন যে মি. কুরেশি ধর্ম পরিবর্তন করার জন্য তার ওপর চাপ সৃষ্টি করছিলেন।

পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে ওই ব্যক্তি এটাও বলেছেন যে তার বোনের স্বামী এবং মি. কুরেশি – এই দুজনেই তার ওপরে চাপ তৈরি করছিলেন খ্রিস্টান ধর্ম ছেড়ে ইসলাম গ্রহণ করতে।

পুলিশ বলছে, অভিযোগকারীর বোন এবং বোনের স্বামী দুজনেই ইসলাম গ্রহণ করেছেন। তারা দুজনেই বর্তমানে নিখোঁজ।

ধর্মান্তরিত হবার পর থেকেই তার বোনের স্বামীও অভিযোগকারীকে ইসলাম গ্রহণের জন্য চাপ দিচ্ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী কেরালায় আরও ২১ জন ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন। পুলিশের একাংশের ধারণা এই নিখোঁজ ব্যক্তিদের কেউ কেউ হয়তো ইসলামিক স্টেট নামের কথিত সন্ত্রাসী সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছেন।

কেরালা পুলিশের কর্মকর্তা কে ভি বিজয়ন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “মি. কুরেশি যে ওই ব্যক্তিকে ইসলাম গ্রহণ করে কথিত ইসলামিক স্টেট সংগঠনে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন, সেটা দায়ের করা অভিযোগপত্রে লেখা হয়েছে।“

কেরালার কোচি শহরের পুলিশের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে মুম্বাই পুলিশ নভী মুম্বাই থেকে মি. কুরেশিকে গ্রেপ্তার করেছে।

সন্ত্রাস দমন শাখার এক কর্মকর্তা বলছেন, মি. কুরেশির বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানো সহ বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা করা হয়েছে। এছড়াও ভারতের সন্ত্রাস দমন আইন – বেআইনী কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন অনুযায়ীও তার বিরুদ্ধে মামলা আনা হয়েছে।

হেফাজতে নেওয়ার পরে অার্শিদ কুরেশিকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছে সন্ত্রাস দমন শাখা, তারপর তাকে কেরালা পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে।