যুক্তরাষ্ট্রের সরকারী কার্যক্রমে অচলাবস্থা দেখা দেয়ার প্রথমদিনেও নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিলেন ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান ও বিরোধী ডেমোক্র্যাট পার্টির আইনপ্রণেতারা। শুক্রবার শেষ মুহূর্তে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারের বাজেট বৃদ্ধির একটি প্রস্তাব সিনেটে পর্যাপ্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ না পাওয়ায় এ অচলাবস্থা দেখা দেয়। যার অর্থ পুরোপুরি কার্যকর একটি সরকারী ব্যবস্থাপনা ছাড়াই মেয়াদের দ্বিতীয় বছর শুরু করতে হচ্ছে ট্রাম্পকে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ক্ষমতাসীনরা এখন বলছেন, অচলাবস্থা নিরসনে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন পাওয়ার পরই তারা অভিবাসন নীতিমালা নিয়ে আপোসরফায় রাজি হতে পারেন। অন্যদিকে বিরোধীদের দাবি, স্বল্পমেয়াদী যেকোন বাজেট বৃদ্ধির প্রস্তাবেও ‘ড্রিমার’ নামে পরিচিত কাগজপত্রহীন তরুণ অভিবাসীদের সুরক্ষার বিধান রাখতে হবে। চলমান পরিস্থিতিতে সরকারী অনেক কর্মীকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। কাউকে কাউকে নতুন করে তহবিল ছাড়ের আগ পর্যন্ত বেতন ছাড়াই কাজ চালিয়ে যেতে অনুরোধ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এই প্রথম হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেস একই দলের নিয়ন্ত্রণে থাকার পরও সরকারের বাজেট বাড়ানোর বিল অনুমোদন পেতে ব্যর্থ হল। এর আগে ২০১৩ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে সিনেটরদের মতবিরোধে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের তহবিল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং ১৬ দিন পর্যন্ত ওই অচলাবস্থা চলেছিল। তখন আট লাখের বেশি কর্মীকে অবৈতনিক ছুটিতে যেতে হয়েছিল; জাতীয় উদ্যান ও স্মৃতিস্তম্ভগুলোর রক্ষণাবেক্ষণেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল; যা নিয়ে দেখা দিয়েছিল জনরোষ।