২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচার শিবিরের সঙ্গে রাশিয়ার আঁতাতের অভিযোগ তদন্তে এ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনসকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। গত সপ্তাহে মার্কিন এই শীর্ষ কৌঁসুলিকে জিঙ্গাসাবাদ করা হয় বলে ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস নিশ্চিত করেছে। সেশনসই ট্রাম্পের কেবিনেটের প্রথম সদস্য যাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো। বিবিসি।এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক রবার্ট মুলার ২০১৬ সালের নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগের বিষয়ে তদন্তে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বিশেষ কৌঁসুলি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া মুলার গত বছর মে’তে এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক জেমস কোমিকে ট্রাম্পের বরখাস্তের ঘটনা তদন্ত বাধাগ্রস্ত করার একটা প্রচেষ্টা সেশনস কিনা তাও তদন্ত করছেন। সেশনসকে কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ট্রাম্প মঙ্গলবার বলেছেন, সেশনসের জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে তিনি মোটেও উদ্বিগ্ন নন। মার্কিন গোয়েন্দা দল ইতোমধ্যে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, মস্কো ট্রাম্পকে জেতাতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছিল, যদিও রাশিয়া বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগ ও সম্ভাব্য আঁতাতের বিষয়ে মুলারের তদন্তের পাশাপাশি কংগ্রেসের তিনটি ভিন্ন কমিটিও এসব বিষয়ে তদন্ত করছে। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার উপদেষ্টা থাকাকালে সাবেক সিনেটর সেশনসের সঙ্গে রুশ নাগরিকদের যোগাযোগ ছিল। তবে পরে তিনি তা এড়িয়ে যান। ট্রাম্প কেন জেমস কোমিকে বরখাস্ত করেছিলেন সে সম্বন্ধে সেশনস বিস্তারিত জেনে থাকতে পারেন, যা বিচারিক মামলা বাধা সৃষ্টি করতে এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হতে পারে। আরেক বরখাস্তকৃত উপদেষ্টা স্টিভ ব্যাননকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মুলারের সামনে হাজির হতে হবে। ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টাদের মধ্যে খুব কম লোকই আছেন যারা প্রচারণা শিবির ও প্রশাসন উভয় জায়গায়ই দায়িত্ব পালন করেছেন। এই দায়িত্ব পালন করা ব্যাননকে বিশেষ কৌঁসুলির অফিস থেকে এখনও ডাকা হয়নি। ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সও ডাক পাওয়ার তালিকায় রয়েছেন। এরপর ডাকা হবে ট্রাম্প জুনিয়র এবং ইভানকা ট্রাম্পকে। তারপর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে স্বয়ং মুলারের সামনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হতে হবে।