কাজী ইমাজ উদ্দিন গ্রেফতারের পর বেরিয়ে আসছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য

মাহাতাব উদ্দিন লালন ॥ কুষ্টিয়া জজ কোর্টে দায়েরকৃত ২টি প্রতারনা ও চেক জালিয়াতির মামলায় ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী বগুড়া জেলার ৬৩৮/৬৭০, কাজী হাফিজুর রহমান রোডের বাসিন্দা মৃত কাজী আনোয়ারুল হকের ছেলে কাজী ইমাজ উদ্দিন গ্রেফতারের পর বেরিয়ে আসছে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানাগেছে, চৌড়হাস মোড়ে পোল্ট্রিফিড ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমানের কাছে ৩লাখ ৩০ হাজার টাকার চেক দেয়। কিন্তু ব্যাংক হিসাবে কোন টাকা নেয়। এ ব্যাপারে হাফিজুর রহমান কুষ্টিয়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কেএনবি এগ্রো ফুড ও নিউটেক এগ্রো (বিডি) লিঃ এর কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি ও প্রতারনার অভিযোগে কুষ্টিয়ার আদালতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। কেএনবি এগ্রো ফুডে ২২ লাখ টাকার চেক জালিয়াতি করে। আর ঢাকার পল্টন এলাকার নিউটেক এগ্রো (বিডি) লি: এর সাথে ৩৩ লাখ টাকা জালিয়াতি করে। পৃথক দুটি মামলা দায়ের এর ফলে গত শনিবার রাতে বগুড়া ও চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে কাজী ইমাজ উদ্দিনকে গ্রেফতার করে।
সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত কাজী ইমাজ উদ্দিন দীর্ঘদিন যাবৎ কুষ্টিয়ার কেএনবি এগ্রো ফুড ও ঢাকার পল্টন এলাকার নিউটেক এগ্রো (বিডি) লি: এর সাথে ব্যবসা করতো। ইতোপূর্বে সে এসব কোম্পানীর ডিলারদের সাথে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাৎ করে। পরবর্তীতে কেএনবি এগ্রো ফুড ও নিউটেক এগ্রো (বিডি) লি: এর কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি ও প্রতারনার অভিযোগে কুষ্টিয়ার আদালতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। এরপর থেকে কাজী ইমাজ উদ্দিন পলাতক ছিলো। ইতোমধ্যে মামলা দুটির রায়ে তার ২ বছরের সাজার আদেশ হয়। আসামী পলাতক থাকায় তার স্থায়ী ঠিকানা ৬৩৮/৬৭০, কাজী হাফিজুর রহমান রোড, মা ও শিশু মঙ্গলের পূর্ব পার্শ্বে বগুড়া এই ঠিকানায় ওয়ারেন্ট বের হয়। গা ঢাকা দিতে সে নিজের পরিচয় গোপন করে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদায় অবস্থান করে। দামুড়হুদা থানা পুলিশের সাথে যৌথ অভিযান চালিয়ে কাজী ইমাজ উদ্দিনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। উলে­খ থাকে যে, আসামী কাজী ইমাজ উদ্দিনের সাজা পরোয়ানা কুষ্টিয়া জজ কোর্ট থেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে। ডিএমপি পুলিশও তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে।

Advertisment ad adsense adlogger