বর্হিবিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আধুনিক রাষ্ট্রের দিগে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। সরকার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, হাতের নাগালে ডিজিটাল সেবা দিতে বদ্ধপরিকর। সেই সুবাদে কুষ্টিয়া হয়েউঠেছে ডিজিটাল জেলা। ডিজিটাল জেলা হিসাবে সারাদেশে পরিচিতি থাকলেও সড়ক পথে নেই তেমন অগ্রগতি। দিনের পরে দিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পথ চলছে হাজারো মানুষ।
কুষ্টিয়া-মেহেরপুর, কুষ্টিয়া-চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া-দৌলতপুর সড়ক গুলোর বর্তমানে বেহাল দশা। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তার উপরে এক হাটু পানি জমে। যানবাহন গুলো যেন রাস্তার একপাশ থেকে আরেকপাশে দোলনার মতো করে দোলে। বিশেষ করে কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার নিমতলা বাজার থেকে কাতলামারী বাজার পর্যন্ত কুষ্টিয়া-মেহেরপুর মহাড়কের বেহাল দশা। যে কোন সময়ে বড় ধরনের কোন দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিভিন্ন স্থানে রাস্তার পাশে পুকুর থাকার কারনে পুকুরের পানিতে ভেঙ্গে গেছে রাস্তা। জীবনের ঝুকি নিয়েই এইসব রাস্তার গাড়ী চালিয়ে যাচ্ছেন চালকরা।
কাতলামারী গ্রামের বাস ড্রাইভার মালেক জানান, কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের মধ্যে মিরপুরের পর নিমতলা থেকে কাতলামারী বাজার পর্যন্ত রাস্তায় প্রচুর ভাঙ্গা। এছাড়া সদরপুর বীজ পার হয়ে যে ভাঙ্গা সেখানে যে কোন সময় বড় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। সেখানে জীবনের বড় ঝুকি নিয়ে গাড়ী চালাতে হয়।
সদরপুর গ্রামের ট্রাক ড্রাইভার মোতালেব হোসেন, আমি সারা বাংলাদেশে ট্রাক চালাই। কোথাও এই রকম ভাঙ্গা দেখেছি বলে আমার মনে হয় না। আর সদরপুরের এখানে রাস্তার যে অবস্থা সেখানে যে কোন সময় দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। মালবাহী ট্রাক নিয়ে যেতে অনেক সমস্যা হয়। তিনি আরো জানান, কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কের মধ্যে মিরপুর থেকে কাতলামারী বাজার পর্যন্ত রাস্তার প্রচুর ভাঙ্গা। এতে আমাদের সময় বেশি লাগে এবং যে কোন সময় দূর্ঘটনার আশংঙ্খা থাকে।
এদিকে রাস্তা ভাঙ্গার কারনে এলাকার সাধারন যাত্রীরা পড়ে নানা দূর্ভোগে।
সদরপুর গ্রামের আশরাফুল ইসলাম সেতু জানান, সদরপুর থেকে আমলার যেতে রাস্তা ভাঙ্গার কারনে আমাদের সময় বেশি লাগে। অনেক সময় গাড়ী পাওয়া যায় না। ভ্যান, অটো রিক্সা পাওয়া গেলেও চাই অধিক ভাড়া। আর রাস্তার মধ্যেও সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয়। সড়কটি মেরামতের জন্য জেলাপ্রশাসকসহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের দৃষ্টি আর্কষন করা হলো।