মেহেরপুর কাথুলী সড়কের জেড স;মিল সংলগ্ন সড়কে জি এন পরিবহন নামের একটি লোকাল যাত্রীবাহী বাসে ( মেহেরপুর জ ১১-১৫১৫) অতর্কিত হামলা চালিয়েছে ইজিবাইক চালকরা । এতে বাসের পিছনের এবং দু;পাশের জানালার বেশকিছু কাঁচ ভেঙ্গে গিয়েছে। বাসে থাকা ৩ জন যাত্রী আহত হয়েছে। এদের মধ্যে মতিয়ার নামের একজন মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।একটি ইজিবাইক ভাংচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা বলে ইজিবাইক চালকরা দাবি করলেও পুলিশ ও বাস পরিবহনের লোকজন বলেন তা ভিত্তিহীন । ঘটনার পর থেকে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে ওই রুটে ঘন্টাখানেক বাস চলাচল বন্ধ ছিলো। বাসের চালক বিল্লাল হোসেন জানান, মঙ্গলবার বিকাল ৩ টার দিকে যাত্রী নিয়ে মেহেরপুরের কাথুলী বাসস্ট্যান্ড থেকে হাটবোয়ালিয়র উদ্যোশে রওয়ানা হয়। কিছুদুর যাওয়ার সড়কের জেড সমিলের নিকট পৌছালে ৬/৭ জনের একদল ইজিবাইক চালক লাঠি নিয়ে গতিরোধ করে। এ সময় গাড়ি থামালে তারা অতর্কিতভাবে বাসে হামলা চালায়। তাদের হামলায় দুপাশের জানালা ও পিছনের ৬/৭টি কাচ ভেঙ্গে যায়। পরে তারা রাস্তা থেকে ইট কুড়িযে মারতে গেলে আমি গাড়ি নিয়ে টান দিয়ে নিরপদ স্থানে পৌছে মালিককে জানাই। এতে কাঁচ ভেঙ্গে গাড়িতে থাকা ৩ যাত্রী আহত হয়। এ বিষয়ে মেহেরপুর জেলা ইজি বাইক মালিক ও চালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আল মামুন বলেন, এ ধরণের কোনো ঘটনা আমার জানা নাই। তবে দুপুর ১২ টার দিকে কিবরিয়া নামের একজনের একটি ইজিবাইক পরিবহনের লোকজন কাথুলী সড়কে ভেঙ্গে দিয়েছে তা শুনেছি। মেহেরপুর জেলা বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির কোষাধাক্ষ রেজানুর রহমান ঘটনাস্থল থেকে জানান, ইজিবাইকরা চালকরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে বাসটিকে ভাংচুর করেছে। ইজিবাইক ভাংচুরের ঘটনাকে তিনি মিথ্যা ও বানোয়াট বলে মন্তব্য করেন।মেহেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আহসান হাবির জানান, খবর পেয়ে তার নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরবর্তিতে বাস স্বাভাবিক নিয়মে চলাচল শুরু করেছে বলে তিনি জানান। তিনি আরো জানানা, কারা হামলা চালিয়েছে তা সনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। ইজি বাইক ভাংচুরের কোনো ঘটনা ঘটেনি বলেও অফিসার ইনচার্জ জানান।উল্লেখ্য, সপ্তাহ খানেক ধরে মেহেরপুরের ৩টি সড়কে ইজিবাইক চালাতে দেয়ার দাবি করে আসছে ইজিবাইক মালিক ও চালক সমিতির নেতৃবৃন্দরা । অপরদিকে, মেহেরপুর কোনো সড়কে ইজিবাইক চালাতে পারবে না বলে পুলিশের কাছে দাবি করে আসছে বাস ও মিনিবাস মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দরা। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি চলে আসছে। এ ঘটনায় যে কোনো মুহুর্তে বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটার