বর্তমান সরকারের আমলেই জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি বন্ধ করা হবে

বর্তমান সরকারের আমলেই জামায়াত- শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হবে। জামায়াত-শিবির কোনো রাজনৈতিক দল নয়। তারা সন্ত্রাসী দল।যুদ্ধপারাধীদের বিচার বানচাল করার জন্য তারা দেশব্যাপী মানুষ হত্যা করেছে, যানবাহনে অগ্সিসংযোগ করেছে,শহীদ মিনার ভাংচুর করেছে। যত বাধা ,বিপত্তিই আসুক না কেনো বাংলার মাটিতেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হবে। আজ ১৭ এপ্রিল বুধবার মুজিবনগর আ¤্রকাননে বাংলাদেশ আওয়মীলীগ আয়োজিত ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মাহবুবুল হক হানিফ। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, প্রতিমণÍ্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান,মৎস্য ও প্রানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আব্দুল হাই, রাজশাহী সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাংগাঠিনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি,কুষ্টিয়া ১ আসনের সংসদ সদস্য আফাজ উদ্দিন, চুয়াডাঙ্গা ২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগর টগর,মেহেরপুর ১ আসনের সংসদস সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন,কুষ্টিয়া ৪ আসনের সংসদ সদস্য সুলতানা তরুন। বক্তব্য রাখেন, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আজগর আলী,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সদস্য আসাদুল হক আসাদ, সাবেক ছাত্রনেতা বদিউজ্জামান সোহাগ, মেহেরপুর ২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন, মেহেরপুর সদর উপজেলা আওয়ামীলগের সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম রসুল,শহর আওয়ামীলীগের সভ্পাতি এ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম,গাংনী উপজেলা আওয়ামীগের সভাপতি সহিদুজ্জামান খোকন,মুজিবনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউদ্দিন বিশ্বাস প্রমুখ। এর আগে সকাল ১১ টায় মুজিবনগর স্মৃতি সৌধে পুস্পস্তবক অর্পন করেন মাহবুবুল আলম হানিফ,মোহাম্মদ নাসিমসহ আওয়াশলিীগের শির্ষ নেতারা।এর পর সকাল সোয়া ১১ টায় জাতিয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন মোহাম্মদ নাসিম ও মাহবুবুল আলম হানিফ। এর পর ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গার্ড অব অনার প্রদানকারী মাহবুবুর রহমান এসপির নেতৃত্বে মুকিএযাদ্ধা গার্ড অব অনার প্রদান করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য হানিফ আরো বলেন, মুজিবনগর দিবসকে যে বিশ্বাস করেনা সে বাংলাদেশ কে বিশ্বাস করেনা, স্বাধীনতা বিশ্বাস করেনা, মুক্তিযুদ্ধেও চেতনাকে বিশ্বাস করেনা। বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, তিনি দাবি করেন শহীদ জিয়ার রহমান স্বাধিনতার ঘোষক ছিলেন। যদি তিনি স্বাধীনতার ঘোষক হবেন তাহলে তিনিতিা একবারো এ মুজিনগওে আসলেন না। এমনকি বেগম জিয়া ও তো বএকবার এসে প্রমান করেননি তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করেন। মুক্তিযোদ্ধাদের আহবান করে তিনি বলেন, যে দল মুক্তিযেদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী নয় সেদল থেকে বের হয়ে এসে প্রগতীশীল দল বাংলাদেশ অওয়াামীলীগে যোগদান করুন। তিনি বলেন,আওয়ামীলীগ সরকার ৩৬ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলো। আজ দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ন হয়েছে। বিদ্যৎ খাতে উন্নতি হয়েছে। ১লা জানুয়ারীতে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেয়া ছাড়াও শিক্ষা খাকে ব্যাপত উন্নয়ন করা হয়েছে।স্বাস্থ্য খাকে উন্নয়স হয়েছে। অল্প টাকায় বিদেশে জনশক্তি রপ্তানি করে দেশকে একটি সুখী সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে আওয়ামীলীগ সরকার কাজ করে যাচ্ছে। দেশের জিডিপি বর্তমানে ৬.৪ উন্নীতে হয়েছে। আর ঠিক তখনি পাকিস্তানের এজেন্ট হয়ে বেগম খালেদা জিয়া রাজাকার আলবদর সাথে নিয়ে দেশকে ধ্বংস করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

2013-04-19T20:15:11+00:00April 19th, 2013|অন্যান্য|
Advertisment ad adsense adlogger