শুধু কি ছোটরাই বড়দের থেকে শেখে? অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাই। তবে ছোটদের থেকেও আমাদের অনেক কিছু শেখার রয়েছে। তারা কিন্তু মোটেই হেলাফেলা করার নয়। জীবনকে সুন্দর রাখতে অনেক কিছুই শেখা যায় ছোটদের কাছ থেকে। আপনার ঘরে কোন ছোট সোনামণি থাকলে দেখবেন, ওরা কথনই কোন কাজে হাল ছাড়ে না। আর বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা বড্ড বেশি অধৈর্য হয়ে পড়ি। একটুতেই হাল ছেড়ে হতাশ হয়ে যাই। জীবনে সাফল্য পেতে ছোটদের থেকে এটা শেখা খুবই জরুরী। ছোটদের থেকে আর একটি শেখার বিষয় হলো সাহসিকতা। ছোটরা কিন্তু ভীষণ রোমাঞ্চ প্রিয় হয়ে থাকে। আর জীবনে রোমাঞ্চের প্রয়োজন অবশ্যই রয়েছে। তাই সব সময় ভয়ে ভয়ে না থেকে একটু সাহস যোগান। জীবনটাকে রোমাঞ্চকর করে তুলুন। আমাদের অবস্থা এখন ঠিক রামগড়ুরের ছানার মতো। কাজের চাপ, দৈনন্দিন চাপের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রীতিমতো হাসতে ভুলে যাচ্ছি আমরা। সুস্থ থাকতে হাসিখুশি থাকাটা খুবই জরুরী। ছোটদের থেকে শিখে ফেলুন, কীভাবে ছোটখাটো বিষয়েও তারা হেসে ওঠে। ছোটদের কৌতূহলের কোনও শেষ নেই। খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে তারা প্রশ্ন করতে থাকে। তাদের মতো হয়ে উঠুন। কলুর বলদ না হয়ে নিজের মধ্যে কৌতূহল জাগিয়ে তুলুন। প্রশ্ন করুন অন্যকে। প্রশ্ন করুন নিজেকেও। শরীর-স্বাস্থ্য ভাল রাখতে গেলে সারাদিন সক্রিয় থাকুন। ঠিক যেমন ছোটরা থাকে। সারাদিন খেলাধুলো করে তারা। সারাদিন খেলাধুলো করা অবশ্য আপনার সম্ভব হবে না। তাই সময় বের করে নিয়মিত শরীরচর্চা করুন। অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা ছোটদের থেকে অবশ্যই শেখা উচিত তা হলো বন্ধুত্ব কীভাবে বজায় রাখতে হয়। সম্পর্কের মূল্য দিন। আর বন্ধুর সঙ্গে থাকুন।