উদ্দেশ্য নির্ধারণ নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনি আসলে কী করতে চান কিংবা কেন কাজ করছেন। যেভাবেই হোক এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে নিন। আর উত্তর খুঁজে পেলেই আপনি চিনে নিতে পারবেন পথ, যে পথে হেঁটে আপনি গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন। নৈতিকতা জরুরি প্রত্যেকের ভেতরই কমবেশি এই গুণ থাকে। আর এ কথা মাথায় রাখা জরুরি যে নৈতিকতাই মানসিক দৃঢ়তার ভিত। এর চর্চা করুন। সাফল্য আসবেই। সব কিছুর নিয়ন্ত্রক নন এ বিষয়ে কোনোই দ্বিধা নেই। আপনি যত ক্ষমতাবানই হন, আপনার একার পক্ষে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সুতরাং এই চিন্তা ভুলেও মাথায় আনবেন না। এটা কেবল চিন্তাশক্তিকেই খর্ব করে না, কর্মস্পৃহাও নষ্ট করে। পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুতি মানুষের জীবনে পরিবর্তন আসে। আর এই পরিবর্তন স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারাটাই ইতিবাচক মানসিকতার প্রকাশ। কর্মক্ষেত্রেও বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। আবেগকে প্রশ্রয় নয় আবেগ থাকবেই। তবে সব কিছু আবেগ দিয়ে মোকাবেলা করলে চলবে না। বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রে। সেখানে সমস্যা হলে তা মোকাবেলা করতে হবে পেশাদারি দিয়ে। নইলে মানসিক দৃঢ়তার বড় রকমের অবনতি ঘটতে পারে। নিজেকে যাচাই এটা জরুরি। প্রতিবার একটি ভালো কাজ করার পর নিজেকে যাচাই করুন। আত্মতৃপ্তি হতে পারে, তবে আত্ম-অহংকার থাকা চলবে না।