মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষ তালিকায় এসেছে বাংলাদেশের নাম। ওই তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে। সমান সংখ্যক গ্রিনকার্ড নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তান ও ইরাক।মার্কিন সিনেটের ইমিগ্রেশন উপকমিটি এবং হোমল্যান্ড সিকিউরিটি তথ্য অধিদফতরের এক পরিসংখ্যানে বলাহয়েছে, ২০০৯-২০১৩ এই পাঁচ অর্থ বছরে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলো থেকে মোট ৬ লাখ ৮০ অভিবাসীদেরগ্রিনকার্ড দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গ্রিনকর্ড পেয়েছে পাকিস্তান ও ইরাক।আগামী পাঁচ বছরে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলো থেকে আরো ৬ লাখ ৬০ হাজার অভিবাসীকে গ্রিনকার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ক্যালিফোর্নিয়ায় হামলার পর সেই পরিকল্পনায় কিছু ধাক্কালাগতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।শীর্ষে থাকা পাকিস্তান ও ইরাকে ৮৩ হাজার করে অভিবাসী নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ড পেয়েছেন। বাংলাদেশের ৭৫ হাজার অভিবাসী নাগরিক গ্রিনকার্ড পেয়েছেন। বাংলাদেশের পরেই আছেন ইরানের অবস্থান। ৭৩ হাজার ইরানির অভিবাসী পেয়েছেন গ্রিনকার্ড। আর মিশরের ৪৫ হাজার অভিবাসী গ্রিনকার্ড পেয়েছেন।বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইরান ও মিশর ছাড়াও আরো তিন ডজনের বেশি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ থেকে হাজারহাজার অভিবাসীদের গ্রিনকার্ড দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।গ্রিনকার্ড পাওয়া মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ উল্লেখযোগ্য অন্যান্য দেশ: সোমালিয়া- ৩১ হাজার, উজবেকিস্তান-২৪ হাজার, তুরস্ক-২২ হাজার, মরক্কো-২২ হাজার, জর্ডান-২০ হাজার, আলবেনিয়া-১৬ হাজার, লেবানন-১৬ হাজার, ইয়েমেন-১৬ হাজার, ইন্দোনেশিয়া-১৫ হাজার, সিরিয়া-১৪ হাজার, সুদান-১৩ হাজার, আফগানিস্তান-১১ হাজার, সিয়েরা লিওন-১০ হাজার, গায়ানা-৮ হাজার, সেনেগাল-৭ হাজার, সৌদি আরব-৭ হাজার, আলজেরিয়া-৭ হাজার, কাজাকিস্তান-৭ হাজার, কুয়েত-৫ হাজার, গাম্বিয়া-৫ হাজার, সংযুক্ত আরব আমিরাত-৪ হাজার, আজারবাইজন-৪ হাজার।মালি-৩ হাজার, বুরকিনা ফাসো-৩ হাজার, কিরগিস্তান-৩ হাজার, কসোভো-৩ হাজার, মৌরতানিয়া-২ হাজার, তিউনিসিয়া-২ হাজার, তাজিকিস্তান-২ হাজার, লিবিয়া-২ হাজার। এছাড়া তুর্কমেনিস্তান, কাতার এবং শাদ থেকে এক হাজার করে অভিবাসী গ্রিনকার্ড পেয়েছেন।এরকম আরও