কুষ্টিয়া নিউজ ডেস্ক: দৌলতপুরে এক
ব্যবসায়ীকে ক্রস
ফায়ারের ভয় দেখিয়ে পুলিশের ৪৫
হাজার টাকা আদায় সংবাদ টি
মিথ্যা ভিত্তিহীন ৷ হোসানাবাদ
গ্রামে নাহারুল নামে যে মাদক
ব্যাবসায়ীর কথা বলা হচ্ছে প্রকৃত
পক্ষে তার বাড়ি হোসানাবাদ
গ্রামে নয় ৷ তার বাড়ি দৌলতপুর
উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার
একটি গ্রামে ৷ সে কুষ্টিয়া জেলা
পুলিশের একজন তালিকাভুক্ত মাদক
ব্যবসায়ী ৷ বিষয়টি নিয়ে
সরেজমিনে তদন্ত করে যা পাওয়া
গেছে তা অত্যন্ত ভয়াবহ ও এবং গা
শিয়রে উঠার মত ব্যাপার ৷
হোসানাবাদ সহ আশেপাশের
এলাকায় খোজ নিয়ে যানা যায়, এই
নাহারুল প্রকৃতপক্ষে পার্শবর্তী দেশ
ভারত থেকে মাদক,অস্ত্র সহ
চোরাচালান দলের একজন সক্রিয়
সদস্য ৷ দৌলতপুরসহ অত্র এলাকার বড় বড়
মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক সীমান্ত
থেকে নিয়ে বিজিবি ও পুলিশের
চোখ ফাকি দিয়ে নিরাপদ গন্তব্যে
পৌছানোর কাজ করে থাকে ৷
এলাকার সাধারন মানুষের সাথে
কথা বলে জানা যায়, এই চক্রটি
এতটাই শক্তিশালী যে তারা
পুলিশকে বিপদে ফেলতে
রীতিমত একটি নাটক সাজিয়েছে ৷
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক
রাজনৈতিক নেতা জানান, যাদের
কাছে থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে
অভিযোগ এসেছে তারা প্রকৃত পক্ষে
মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানের
সাথে জড়িত ৷ তাদের পরিকল্পনা হল
পুলিশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ
তারা সাজিয়েছে এটা প্রমান
করতে পারলে পুলিশকে চাপে
ফেলে মাদক চোরাচালানের এই
রুটটি নিরাপদ করা ৷ যাতে ভবিষ্যতে
পুলিশ তাদের কে সন্দেহের বাইরে
রাখে ৷ সাধারন মানুষের সাথে
কথা বললে তারা আরও জানান,
মাদক ব্যবসায়ী নাহারুলকে গরু
ব্যবসায়ী বলে প্রচার করা হলেও সে
কখনই গরু ব্যবসার সাথে জড়িত নন ৷ সে
এলাকার একজন চিহ্নিত মাদক সম্রাট ৷
পুলিশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ
এসেছে সেটি প্রশাসনকে না
জানিয়ে কতিপয় কিছু
সাংবাদিককে জানানো হয় ৷ আর এই
কাজটি করেন সবুর নামের একজন
কার্ডধারী সাংবাদিক ৷ সেই
বিভিন্ন পত্রিকা ও টিভি
চ্যানেলের সাংবাদিকদের এই
মিথ্যা ও ভিত্তিহীন সংবাদটি
প্রদান করে ৷ নাহারুল দাবি করে ,
হোসানাবাদ
গ্রামের খালেকের মাধ্যমে সে
দৌলতপুর থানার এআই আসাদ কে
প্রথমে ২৯ হাজার ও পরে আরও ১৬
হাজার টাকা দেই ৷ কিন্তুু খালেক
বলেছে টাকা পয়সার এই লেনদেন এ
সে কিছুই জানে না ৷ দৌলতপুর
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
আমিনুল ইসলামের সাথে কথা বললে,
তিনি জানান এএসপি ভেড়ামারা
সার্কেল এর নির্দেশনা মোতাবেক
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক
ব্যবসায়ী নাহারুলের কাছে সার্চ করে কিছু
না পেয়ে এএসপি সার্কেল
মহোদয়ের নির্দেশ মোতাবেক
তাকে থানাতে না নিয়ে ছেড়ে
দেওয়া হয় ৷ আর এই সুযোগটাই
চোরাচালান চক্রটি কাজে লাগায়
৷ তিনি আরও বলেন নাহারুলকে গ্রেফতারের চেষ্ঠা
করা হচ্ছে তাকে ধরতে পারলেই
আসল সত্যটা বেরিয়ে আসবে ৷ আর এই বিষয়টির সাথে যদি পুলিশের
সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় অবশ্যই দায়ী
পুলিশ অফিসারের বিরুদ্বে আইনানুগ
ব্যবস্খা নেওয়া হবে ৷