আলমডাঙ্গায় বেড়ে চলেছে দেহ ব্যাবসা: ঝুকে পড়ছে যুব সমাজ

আব্দুর রহমান(জসিম),জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা:- চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলায় চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা। সরকারের সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থার রহস্যজনক নীরবতার সুযোগে আলমডাঙ্গা শহর কেন্দ্রীক গ্রামগণ্জে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে উঠেছে শক্তিশালী যৌন ব্যবসা। সে সঙ্গে আলমডাঙ্গায় প্রতিনিয়তই
খদ্দেরদের বিপুল পরিমাণের যৌন
কর্মীদের চাহিদার যোগান দিতে পালা দিয়ে এখানে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে যৌন কর্মীদের সংখ্যাও।
এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না দিলে
আগামীতে আলমডাঙ্গার উপজেলায় অবৈধ যৌন প্রবণতা মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়বে বলে জানিয়েছেন সামাজিক ও মানবাধিকার এনজিওগুলো। তাদের মতে, এক শ্রেণীর অসাধু ব্যক্তিরা পতিতাদের দিয়ে বাসা- বাড়িতে গড়ে তোলে শক্তিশালী অবৈধ দেহ ব্যবসার নেটওয়ার্ক। আলমডাঙ্গার পৌরসভা ছাড়াও উপজেলায় পতিতাদের দৌরাত্ম্যে জিম্মি হয়ে পড়েছে যুব সমাজ। আলমডাঙ্গা উপজেলায় এক শ্রেণীর দালালদের খপ্পরে পরে পতিতা
ব্যাবসায় নামতে বাধ্য হয়েছে অসহায় শত শত যুবতী। তারা দীর্ঘদিন যাবত পৌরসভার ঘনবসতি এলাকা গুলিতে দাপটের সাথে ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদের
খপ্পরে পড়ে নিঃশ্ব হয়ে পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছে অনেক যুবক। একারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে যুব সমাজ। এ কারনে যুব সমাজ হচ্ছে বিপতগামী, নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। দীর্ঘ দিন ধরে এমন অবস্থা বিরাজ করায় অভিভাবক মহলে চরম
তোলপাড় শুরু হয়েছে। চোখের সামনে দিয়ে এক মাত্র সন্তানটি বিপথগামী হয়ে পড়লেও অভিভাবকদের যেন কোন করনীয় নেই। র্যাব-পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন সময় যৌন কর্মী ও
ব্যাবসায়ীরা গ্রেফতার হলেও অদৃশ্য ক্ষমতার বলে জামিন হয়ে পূর্ণরায় যৌন ব্যাবসায় জড়িয়ে পড়েন। এ সব এলাকার এক শ্রেণীর দালালরা প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে যৌন কর্মী ও ব্যাবসায়ীরাদের সহযোগীতা করছেন। আর এ সব দালাল নামক
যৌন কর্মী ও ব্যাবসায়ীরাদের গডফাদারদের সঙ্গে প্রশাসনের মধ্যে ঘামটি মেরে থাকা কিছু অস্বাধু পুলিশ অফিসার ও ছিচকা নেতা এবং ভুয়া সাংবাদিকরাদের সঙ্গে রয়েছে গভীর যোগাযোগ। তাই যৌন ব্যবসা কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার প্রায় ১শতধিক বাসা-বাড়ি ও ফ্ল্যাটে চলছে
জমজমাট দেহ ব্যবসা। এতে করে
মরিয়া হয়ে উঠেছে পেশাদার যৌনকর্মীরা। জানা গেছে, আলমডাঙ্গাতে ভাসমান পতিতাদের
সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গভীর রাতে এরা আলমডাঙ্গার বিভিন্ন বাসা বাড়িতে ও গভীর জঙ্গলে যৌন কর্মীরা
পতিতাবৃত্তি করে থাকে। অন্যদিকে,পতিতা ব্যাবসায়ীরা
শহরের নামি দামি ও সরকারী
কর্মকতা-কর্মচারীদেরকে যৌন
কর্মীদের ভয়দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অঙ্কের অর্থ। সুন্দরী নারীদের জিম্মি করে সরবরহ করে থাকেন। পতিতা ব্যাবসায়ীরা একযোগে টাকা সংগ্রহ করে নিজেদের মধ্যে প্রকাশ্যে
ভাগাভাগি করে নেয়। তাদের এসকল অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে তাদের পেটুয়াবাহিনী দিয়ে বিভিন্ন ভাবে
ফাঁসিয়ে দেয় লাঞ্চিত করে থাকেন শহরের নামি দামি ও সরকারীকর্মকতা-
কর্মচারীদেরকে।