Home2018-11-19T15:09:49+00:00
এইমাত্র পাওয়া
“বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও শিক্ষকতা” প্লাজমা বিজ্ঞানী ড.এ এ মামুনদৌলতপুরে নির্বাচনী জনসভায় মাহবুব উল আলম হানিফ “উন্নয়নের ধারা অক্ষুন্ন রাখতে রাখতে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে”ইবির সিন্ডিকেটে নতুন ৪ সদস্য, স্থান পেয়েছেন সদ্য বিদায়ী সফল প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমানইবির সিন্ডিকেটে নতুন ৪ সদস্য, স্থান পেয়েছেন সদ্য বিদায়ী সফল প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমানদিঘলকান্দিতে নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেছেন কুষ্টিয়া-১ আসনের নৌকার প্রার্থী সরওয়ার জাহান বাদশার স্ত্রী মাহমুদা খানমদেড় শতাধিক দরিদ্র শীতার্ত পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তারুণ্য’৩ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে দৌলতপুরের রিফাইতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইছাহক আলীর আওয়ামীলীগে যোগদানইবি ক্যাম্পাসে টুরিজম বিভাগের সভাপতি ড. মাহবুবুল আরফিন চলছে সমালোচনার ঝড়, বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য!রাতের বুকজ্বলা সমস্যার ঘরোয়া সমাধান৩৬০ ডিগ্রি ফটো ও ভিডিও দেখতে ফেসবুকের নতুন অ্যাপএকাদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে গ্রাফিতি অঙ্কন কর্মসূচিতে জাবি ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর অংশগ্রহণবঙ্গবন্ধু আইন পরিষদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এর শাখার নতুন কমিটিনিউজ ফিডে পরিবর্তন আনল ফেসবুকযে অভ্যাসগুলো ত্যাগ করা উচিতযে গ্রামে শিশুকে ধূমপানে উৎসাহিত করা হয়..মাত্র এক মাসেই উচ্চতা বাড়ায় এই ১৫টি খাবারএবার আরও নির্ভুল অনুবাদ করবে গুগল ট্রান্সলেটপাঁচ বিষয়ে কখনো ই-মেইল করবেন নাএকাদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে জাবি ছাত্রলীগের গ্রাফিতি অঙ্কননোবেলের অর্থে হাসপাতাল করবেন নাদিয়া

অন্যান্য

রাজনীতি

ইতিহাস ও ঐতিহ্য

বিশেষ প্রতিবেদন

কৃষি সমাচার

খেলাধুলা

নিউজ ফিডে পরিবর্তন আনল ফেসবুক

নিউজ ফিড নিয়ে প্রায়শই নিত্য নতুন পরিবর্তন আনছে ফেসবুক। গ্রাহকদের সুবিধার্থে নিউজ ফিড আরও সহজ ও বোধগম্য করে তুলতে এবার নতুন আপডেটেড ফিচার এনেছে বিশ্বের অন্যতম এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। বুধবার ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুধু নিউজ ফিড নয়, বদল করা হয়েছে কমেন্ট বক্সের ডিজাইনও।

ফেসবুকের প্রোডাক্ট ডিজাইন ম্যানেজার শালি নুয়েন এবং ডিজাইন ডিরেক্টর রায়ান ফ্রেইটাস জানিয়েছেন, আমরা সব সময় চাই ফেসবুককে যত বেশি প্রাসঙ্গিক এবং আকর্ষণীয় করে তোলা যায়। কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে কোনও পোস্টের বিষয়ে গ্রাহকেরা তাঁদের মতামত জানান। আমাদের প্রয়াস, এই কমেন্ট স্টাইলে কিছু পরিবর্তন এনে বিষয়টিকে আরও সহজ করে তোলা।

শালি জানিয়েছেন, আপডেট করা হয়েছে নিউজ ফিড অপশনকে। যেটি সবচেয়ে বেশি নজড় কাড়বে তা হল, নিউজ ফিডের উজ্জ্বল রম এবং আরও বড় ফন্টের ব্যবহার। লিঙ্ক প্রিভিউ এখন আগের থেকে অনেক বড় ফন্টের, ফলে সহজেই পড়া যাবে। আপডেট করা হয়েছে ‘লাইক’, ‘কমেন্ট’ এবং ‘শেয়ার’ অপশনকেও। নেভিগেশন এখন অনেক বেশি সহজ।

ধরুন, আপনি কোনও লিঙ্কে ক্লিক করতে চান। লিঙ্কটি ক্লিক করার আগে তার উপর মাউস নিয়ে গেলেই সেটি দেখিয়ে দেবে লিঙ্কটি ঠিক কোথায় খুলবে। পাশাপাশি, ফেসবুকে কে কী পোস্ট পড়ছেন এবং কার পোস্টে কে কী প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন এবার থেকে জানা যাবে সেটিও।

যে অভ্যাসগুলো ত্যাগ করা উচিত

আমাদের অনেকেরই অনেক ধরনের অভ্যাস আছে। কিছু অভ্যাস আছে যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, আবার কিছু আছে যা আমাদের অজান্তেই শরীরের ক্ষতি করে চলেছে।

অথচ সেদিকে আমাদের কোনো খেয়ালই নেই। ধীরে ধীরে এসব অভ্যাস শরীরের বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। এমন কিছু অভ্যাস আছে যা আমরা কখনো গুরুত্বই দিই না, বরং আমাদের কাছে আরামদায়ক মনে হয়। এসব অভ্যাসও আমাদের শরীরের ক্ষতির কারণ হয়ে থাকে। আজ আমরা সেই অভ্যাসগুলো দেখে নেব এবং চেষ্টা করব এসব থেকে নিজেদের রক্ষা করতে

পায়ের ওপর পা তুলে বসা

অনেকেরই অভ্যাস আছে পায়ের ওপর পা তুলে বসা। এভাবে বেশিক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস থাকলে উচ্চ রক্তচাপের আশঙ্কা ৭ শতাংশ বেড়ে যায়। যাদের এমন অভ্যাস আছে তা এখনই পরিহার করা উচিত। তা না পারলে কখনো একটানা ১৫ মিনিটের বেশি এভাবে বসে থাকা উচিত নয়। তা ছাড়া একটানা কোনোভাবেই ৪৫ মিনিটের বেশি বসে থাকা উচিত নয়।

প্রয়োজনে আধাঘণ্টা অন্তর কিছু সময়ের জন্য হাঁটাহাঁটি করে আবার বসা উচিত।

উপুড় হয়ে শোয়া ভালো নয়

অনেকের ধারণা উপুড় হয়ে শুলে পেটের চর্বি কমে যায়। এমন ধারণা ভুল হলেও অনেকেই এ কারণে উপুড় হয়ে শুয়ে থাকে। চিত হয়ে না শুলে ঘাড়টা অস্বাভাবিক অবস্থায় চলে আসে, যে কারণে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা হতে পারে।

সব সময় চুইংগাম চাবানো ঠিক নয়

চুইংগাম চাবানোর অভ্যাস অনেকেরই আছে। তবে সব সময় এটি চাবানো ঠিক নয়। কেননা চুইংগাম যথেষ্ট মিষ্টি স্বাদের আর এটি দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। দাঁতের পাশাপাশি এটি চোয়ালের মাংসপেশির জন্যও ক্ষতির কারণ।

এক কাঁধে ব্যাগ বহন না করা

অনেকের অভ্যাস আছে সব সময়ই একই কাঁধে ব্যাগ নেওয়ার। এমন অভ্যাস মোটেও স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। কেননা এক কাঁধে সব সময় ভার বহন করতে করতে ওই কাঁধের শিরা ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে পারে। যে কারণে একটা সময় ওই কাঁধে ব্যথা হতে পারে। এ কারণে সব সময় একই কাঁধে নয়, মাঝে মাঝেই ব্যাগ এক কাঁধ থেকে অন্য কাঁধে নেওয়া উচিত। এতে কাঁধের অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যথা থেকে মুক্ত থাকা যায়।

যে গ্রামে শিশুকে ধূমপানে উৎসাহিত করা হয়..

পর্তুগালের একটি প্রত্যন্ত গ্রাম ভেল দে সুলগেইরো।আপনি জেনে অবাক হবেন,গ্রামটির অভিভাবকরা শিশুদের ধূমপানে উৎসাহিত করেন।শুধু তাই নয়, সিগারেটও কিনে দেন।মনের আনন্দে সেই সিগারেটও খায় শিশুরা।

ভেল দে সুলগেইরো গ্রামে ‘কিং-ফিষ্ট’ নামে একটি উৎসব হয়, যা নতুন বর্ষবরণকে কেন্দ্র্র করে দু’দিন ধরে চলে।উৎসবের দিন গ্রামবাসীরা আগুন জ্বালিয়ে তার চারপাশে নাচতে থাকেন, একজনকে রাজা সাজানো হয়। রাজা সবাইকে মদসহ খাবার পরিবেশন করেন। এই অনুষ্ঠানেই শিশুদের সিগারেট খেতে উৎসাহিত করা হয়। গ্রামটির এটাই প্রচলিত রীতি। শিশুদের বয়স পাঁচ বছর হলেই সিগারেট খেতে উৎসাহিত করা হয়।

যদিও পর্তুগালে ১৮ বছরের কম বয়সীদের ধূমপান করা নিষিদ্ধ, কিন্তু ভেল দে সুলগেইরো গ্রামের অভিভাবকরা এ আইন মানেন না। আর প্রশাসনও এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে না।

ওই গ্রামের এক অভিভাবক বলেন, ‌’আমার মেয়েকে সিগারেট খেতে দিচ্ছি, কিন্তু এতে খারাপ কিছু দেখি না। শিশুরা তো আসলে ধূমপান করতে পারে না, ধোঁয়া টানে আর ছেড়ে দেয়। উৎসবের দিনগুলোতে তারা ধূমপান করে, পরে তারা আর সিগারেট চাইবে না।

গ্রামটির এক প্রবীণ ব্যক্তি জানান, এই নিয়ম শুধু উৎসবের দু’দিন। এই উৎসবে গ্রামবাসীরা সেসব কাজই করেন, যেগুলো সারাবছর করতে পারেন না। শিশুদের ধূমপান সেরকমই একটি বিষয়।

মাত্র এক মাসেই উচ্চতা বাড়ায় এই ১৫টি খাবার

বিজ্ঞান বলে বয়স ১৮ বছর হয়ে গেলেই মানুষ আর লম্বা হয় না। কিন্তু মানবদেহ জীবনভরই উচ্চতা বাড়ানোর জন্য দায়ী হরমোন নিঃসরণ করতে থাকে। আর এই হরমোনই আমাদের উচ্চতা বাড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভুমিকা পালন করে। পিটুইটারি গ্ল্যান্ড থেকে এই হরমোন নিঃসরিত হয়। বলা হয়ে থাকে কেউ যদি নিয়মিতভাবে একটি সুস্থ্য ও সক্রিয় জীবন-যাপন করতে পারেন তাহলে তার উচ্চতা বাড়ানো সম্ভব। শরীরচর্চা এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসও উচ্চতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক ভুমিকা পালন করে। এমন বিশেষ কিছু খাবার আছে যেগুলো উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক। আসুনে জেনে নেওয়া যাক।

১. শীম
শীমে আছে প্রচুর ভিটামিন এবং প্রোটিন যা আপনার উচ্চতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রধান ভুমিকা পালন করে। শীমে থাকা খনিজ উপাদান টিস্যু এবং মাংসপেশি গঠনে কাজ করে। যা স্বাভাবিকভাবেই উচ্চতা বাড়ায়।

২. ডাল বা মটরশুটি
এই জাতীয় খাদ্য নানা ভিটামিন এবং খনিজ পুষ্টিতে সমৃদ্ধ যা উচ্চতা বাড়ায়। এছাড়া মটরদানা জাতীয় খাদ্যে কয়েকটি উচ্চতা বৃদ্ধির হরমোনও আছে।

৩. ব্রোকলি
এতে আছে উচ্চহারে ভিটামিন সি, আঁশ এবং আয়রন। এটি দেহের কার্যক্রম ঠিক রাখতে এবং দৈহিক বৃদ্ধির জন্য দায়ী হরমোনের উদ্দীপনা বাড়াতে সহায়ক।

৪. শালগম
এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ পুষ্টি এবং খাদ্য আঁশ। এটি আমাদের দেহের বৃদ্ধির জন্য দায়ী হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে।

৫. গরুর দুধ
গরুর দুধে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম আমাদের হাড়ের উন্নয়ন ও হাড় শক্তিশালীকরণে কাজে লাগে। গরুর দুধে থাকা ভিটামিন এ দেহের ক্যালসিয়াম সংরক্ষণেও কাজ করে এবং এর সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিতে সহায়তা করে। ক্যালসিয়াম প্রাকৃতিকভাবে উচ্চতা বাড়ানোর সহায়ক উপাদানগুলোর একটি।

৬. ফল
মাল্টা, পেপে, আম, এপ্রিকোট এবং প্যাশন ফ্রুটে আছে ভিটামিন, পটাশিয়াম, আঁশ এবং ফোলেট। এর সবগুলো উপাদান হাড়ের বৃদ্ধি এবং উচ্চতা বৃদ্ধিতেও কাজ করে।

৭. তালের গুড়+দুধ
খালি পেটে এই মিশ্রণটি খেলে দুর্দান্ত ফল পাওয়া যায়। দুধের সঙ্গে তালের গুড় মিশিয়ে খালি পেটে দুধের কার্যকারিতা দশগুন বৃদ্ধি পায়। এই মিশ্রণটি খেলে সবগুলো পুষ্টি উপাদান সহজেই শুষে নিতে পারে আমাদের দেহ।

৮. কালো তিল+কাজুবাদাম+অশ্বগন্ধা+দুধ
অশ্বগন্ধা এইচজিএইচ হরমোন নিঃসরণের হার ঠিক রাখে। আর এ কারণেই এটি উচ্চতা বৃদ্ধিতে এতটা কার্যকর। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং ঘনত্ব বাড়াতেও কার্যকর। কালো তিলে আছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন বি ও আয়রন। এটি ক্যালসিয়ামেরও ভালো উৎস। হাড়ের বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক এসব উপাদান। কাজুবাদামে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম যেগুলো হাড়ের বৃদ্ধিতে জরুরি খনিজ উপাদান।
আর এই সবগুলো উপাদান দুধের সঙ্গে মিলে উচ্চতা বাড়ায়। প্রতিদিন রাতে দুধের সঙ্গে এক চামচ অশ্বগন্ধা, কাজুবাদাম এবং কালো তিলের পাউডার মিশিয়ে পান করুন।

৯. সয়া বিন
সয়া বিনে যে প্রোটিন থাকে তা হাড় এবং টিস্যুর ঘনত্ব বাড়ায়। যা তাদের বৃদ্ধির জন্যও জরুরি। নিয়মিতভাবে খেলে আপনার হাড়ের আকার ভালো থাকবে এবং স্বাস্থ্যকর উন্নয়ন হবে। প্রতিদিন অন্তত ৫০ গ্রাম সয়া বিন খেতে হবে।

১০. বাদাম
বাদামও উচ্চ পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ। এতে যে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যামাইনো এসিড থাকে তা দেহের টিস্যু মেরামত এবং নতুন হাড় ও মাংসপেশির বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ফলে উচ্চতাও বাড়ে।

১১. সবুজ পাতাবহুল শাক-সবজি
অসংখ্য উপায়ে সবুজ পাতাবহুল শাক-সবজি আমাদের উপকারে আসে। এতে থাকে প্রচুর খাদ্য আঁশ, ভিটামিন এবং খনিজ পুষ্টি যা স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক। এছাড়া দেহের গ্রোথ হরমোন নিঃসরণে উদ্দীপনাও যোগায় তা।

১২. গাজর
এই খাবারটি ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ। হাড়ে ক্যালসিয়াম সংরক্ষণ এবং হাড়ের বৃদ্ধিতে উৎসাহ যোগায় এসব উপাদান। প্রতিদিন অন্তত ৩টি করে গাজর খেলে দেহের উচ্চতা বাড়ে।

১৩. পূর্ণ শস্য
দেহ থেকে বর্জ্য নিঃসরণে সহায়ক পূর্ণ শস্যজাতীয় খাদ্য। যার ফলে আমরা যা কিছুই খাই না কেন তার কার্যকারিতা বেড়ে যায়। এই জাতীয় খাদ্য ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য দরকারি। এছাড়া এতে আছে ক্যালোরি যা বয়ঃসন্ধিকালে উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক।

১৪. ডিম
ডিম উচ্চতা বাড়াতে সবচেয়ে কার্যকর জনপ্রিয় খাদ্য। ডিমে আছে ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম এবং রিবোফ্ল্যাবিন। ডিমে থাকা উচ্চমাত্রার প্রোটিন উপাদান হাড়ের উন্নয়ন ও হাড়কে শক্তিশালীকরণে কাজ করে।

১৫. কুমড়ো বীজ
এরা ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ। যা হাড় ও দাঁতের গঠনের জন্য জরুরি। এছাড়া এতে আছে অ্যামাইনো এসিড যা উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক ভুমিকা পালন করে।

এবার আরও নির্ভুল অনুবাদ করবে গুগল ট্রান্সলেট

বিজ্ঞানের এক অত্যাশ্চর্য আবিস্কার গুগল ট্রান্সলেট। এই ট্রান্সলেটরের দ্বারা কোন বাক্য বা শব্দ যেকোন ভাষায় অনুবাদ করে নেওয়া যায়। সেটাও আবার সেকেন্ডের মধ্যে! টেক জায়ান্ট গুগল দিনে দিনে এই ট্রান্সলেটরকে আরও উন্নত আরও নির্ভূল করার কাজ করে যাচ্ছে। এতে অংশগ্রহণ করেছে সাধারন মানুষও।

বর্তমানে গুগল ট্রান্সলেটে ইংরেজি শব্দের সঠিক অর্থ পাওয়া গেলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটা পুরো বাক্যের সঠিক অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়না। এবার এই সমস্যার সমাধানে নতুন এক ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছে গুগল কর্তৃপক্ষ। এই ব্যবস্থার নাম ‘নিউরাল মেশিন ট্রান্সলেশন’ বা এনএমটি, যা গুগল ট্রান্সলেট এর ভুল ৫৫ থেকে ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত কমাবে বলেই জানিয়েছে গুগোলের কর্মকর্তারা।

গুগল টান্সলেট এর ১০ বছর পূর্তিতে এই ঘোষণা করা হয়েছে। যা নিঃসন্দেহে একটি মাইলস্টোন হয়ে থাকবে। গুগলের ‘ব্রেন টিম রিসার্স’-এর বিজ্ঞানী কোয়াক লি ও মাইক স্কুস্টার বলেছেন, গুগল ইমেজ ও বিবৃতিকে উন্নত করতে মেশিন ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করেছে। কিন্তু তখন মেশিন ট্রান্সলেশন উন্নত করাটা তাদের জন্য ছিলো চ্যালেঞ্জিং একটা ব্যাপার। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতেই এবার এনএমটি সংযোজন করা হয়েছে।

পাঁচ বিষয়ে কখনো ই-মেইল করবেন না

ই-মেইলের আবির্ভাবের পর ভাবা হয়েছিল, এবার বুঝি যোগাযোগ সহজতর হবে। আর যোগাযোগের ক্ষেত্রে আগের চেয়ে কম সময়ে বেশি দক্ষতা সহকারে কাজ সম্পন্নও করা যাবে।

কিন্তু বেঁচে যাওয়া সময়টুকু মানু্ষরা ইন্টারনেট প্রযুক্তির বদৌলতে দ্রুতই নানা ধরনের তৎপরতায় ব্যয় করা শিখে গেছেন। যার ফল হয়েছে, ই-মেইলের বদৌলতে আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি যোগাযোগ করতে পারছি ঠিকই; কিন্তু যোগাযোগ দক্ষতার তেমন কোনো উন্নতি হয়নি বললেই চলে। যাইহোক, সময় বাঁচানো ও ভুল বুঝাবুঝি থেকে রেহাই পেতে কিছু বিষয় পুরোপুরি অফলাইনেই আলোচনা করাই ভালো।

এখানে এমন পাঁচটি বিষয় তুলে ধরা হলো যেগুলো আপনি অনলাইনে আলোচনা না করে অফলাইনে আলোচনা করলেই বেশি ভালো ফল পাবেন।

১. দুঃসংবাদ দেওয়া
দুঃসংবাদ দেওয়া সহজ কাজ নয়; বিশেষত যখন আপনার বস বা ম্যানেজারকে দুঃসংবাদটি দিতে হয় তখন তা আরো কঠিন হয়ে পড়ে। আর ই-মেইলে কোনো দুঃসংবাদ দিলে তা আরো বেশি ভুল বুঝাবুঝি তৈরি করবে। এতে আপনার বস মনে করবেন আপনি বিষয়টি নিয়ে উদাসীন এবং খোলামেলা আলোচনায় আগ্রহী নন। অথবা আপনি এতটাই আতঙ্কগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা কাঁচা যে কঠিন কোনো বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করার মতো যোগ্যতাই নেই আপনার।
সুতরাং কাউকে দুঃসংবাদ দিতে হলে তা সরাসরিই পৌঁছে দিন।

২. ঠিক কী বলতে হবে সে বিষয়ে নিশ্চিত না হলে
কোনো ঘটনা ঘটার পর তা নিয়ে প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে বরং নিজেকে ওই ঘটনার নিয়ন্ত্রণকারীর আসনে বসানোর চেষ্টা করাই ভালো। কিন্তু অনলাইন প্রযুক্তির কারণে কোনো বিষয়ে আমরা প্রধানত দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতেই অভ্যস্ত হচ্ছি। আমরা আমাদের ইনবক্স দ্রুত খালি করার চাপই শুধু অনুভব করি। আর বেশিরভাগ ই-মেইলেরই উত্তর দেওয়াটা জরুরি মনে হতে থাকে।
ফলে প্রায়ই আমরা ঠিক কীভাবে কোনো ই-মেইলের উত্তর দিলে ভালো হবে সে ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়েই টাইপ করা শুরু করি। তারচেয়ে বরং একটু সময় নিন এবং বিষয়টি সম্পর্কে আরো তথ্য-উপাত্ত অনুসন্ধান করুন। বিষয়টি নিয়ে আপনি ঠিক কী ভাবছেন এবং আপনি কী বলতে চান তা পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে হুট করেই কোনো ই-মেইলের উত্তর দিতে যাবেন না।

৩. কাউকে কড়া কথা বলতে
কারো সঙ্গে সরাসরি বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হওয়া এড়াতে আমরা হয়ত অনলাইনেই তার সঙ্গে আলাপ করতে চাইতে পারি। এর পেছনে যে ধারণা কাজ করে তা হলো, ই-মেইলেও বুঝি আমরা কাউকে যতটা আঘাত করতে চাই ঠিক ততটা আঘাত করেই কোনো কথা বলা সম্ভব।
কিন্তু বাস্তবে কখনোই তা ঘটেনা। সূতরাং কাউকে কড়া কথা বলতে চাইলে সরাসরি মুখোমুখি হয়ে বলাটাই উত্তম।

৪. রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে হলে
সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে আপনি যখন ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত থাকবেন তখন কোনো বিষয়ে পরিষ্কার করে চিন্তা করাটা একটু কঠিনই বটে। আর এমন পরিস্থিতিতে আবেগের তাড়নাও উচ্চপর্যায়ে অবস্থান করতে পারে। সূতরাং ওই সময়টাতে ই-মেইলের উত্তর না দেওয়াই উত্তম।
তার চেয়ে বরং আপনি একটি খসড়া তৈরি করে রাখতে পারেন। পরে সকালে ঘুম থেকে উঠে পরিষ্কার মাথায় পুনরায় সেটির ওপর একবার নজর বুলিয়ে নিন; এরপর তা পাঠিয়ে দিন।

৫. বেতন বাড়ানোর দাবি জানাতে
চাকরিতে বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবি জাননোর ক্ষেত্রে ই-মেইল ব্যবহার ন করাই ভালো। কারণ বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কথা বললেই কর্তৃপক্ষ ভাববে আপনি বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। আর এর জন্য যদি কোনো প্রশ্নোত্তর পর্বের মুখোমুখি হতে হয় তার জন্যও আপনি প্রস্তুত আছেন। কিন্তু ই-মেইলে বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবি জানালে ভুল বুঝাবুঝি হতে পারে।
সূতরাং এমন বিষয়ে সরাসরি আলাপ-আলোচনা করাই ভালো।

Advertisment ad adsense adlogger