শহর যুবলীগ ৬নং ওয়ার্ড শাখার ত্রি বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস নির্মুল করতে যুব সমাজকে এক হয়ে কাজ করতে হবে …….. ……………….. রবিউল ইসলাম

মাহাতাব উদ্দিন লালন ॥ জঙ্গীবাদ সন্ত্রাস নাশকতা নির্মুল করতে হলে যুব সমাজকে এক হয়ে কাজ করতে হবে বলেন, জেলা যুবলীগের আহবায়ক রবিউল ইসলাম। গতকাল হাউজিং এস্টেট মাধ্যমিক বিদ্যালয় হল রুমে, কুষ্টিয়া শহর যুবলীগের ৬নং ওয়ার্ড শাখার ত্রি বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যখন বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হচ্ছে, ঠিক সেই সময় বেগম খালেদা জিয়া আর্ন্তজাতিক চক্রান্তের সাথে হাত মিলিয়ে দেশে জঙ্গীবাদ সন্ত্রাস ও নাশকতার মদদ দিচ্ছে। তিনি যুবলীগের নেতা কর্মীদের উদ্যেশ্যে বলেন, জাতির জনক দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে যুবকদের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে শেখ ফজজুল হক মনির নেতৃত্বে আওয়ামী যুবলীগ প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন। শহীদ শেখ ফজলুল হক মনির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে একটি সোনার বাংলা প্রতিষ্টা করতে হবে। ধর্মের নামে অপব্যাখা দিয়ে বেগম খালেদা জিয়া জামাত শিবিরকে সাথে নিয়ে দেশের ধর্মপ্রান মানুষকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। যুবলীগের প্রতিটি নেতা কর্মিকে রাজপথে থেকে এই অপকর্মের দাত ভাঙা জবাব দেওয়ার আহবান জানান। ত্রি বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজ পথের লড়াকু সৈনিক মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা নেতা জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। সম্মেলনে উদ্ধোধনী বক্তব্য রাখেন, কুষ্টিয়া শহর যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল আলিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া শহর ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হাসান আলী, সাধারন সম্পাদক ইফরান হোসেন স্বপন। এসময় বক্তব্য রাখেন, শহর যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুজ্জামান সুজন, যুগ্ম আহবায়ক ও দৈনিক দেশের বানী পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান হাফিজ, জে এম সম্প্রাট, আরিফুল এনাম সোহেল, আশরাফুল আলম রুবেল, অনিক হোসেন। প্রধান বক্তা হাবিবুর রহমান হাবি বলেন, বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্বে জঙ্গী ও কথিত আইএস নেত্রী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে বেগম খালেদা জিয়া। আর এই সকল অপকর্মের আরেক মুল হোতা তার কুলাঙ্গার পুত্র তারেক রহমান। তিনি বিদেশের মাটিতে বসে বাংলাদেশে জঙ্গীও সন্ত্রাস বাদের মদদ দিচ্ছে। তিনি বলেন, মেজর জিয়া পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর সাথে হাত মিলিয়ে স্বাধীনতার বিরোধীতা করতে মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রবেশ করে এই মেধের মানুষের সাথে বেইমানী করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তিনি রাজাকার শাহ আজিজুর রহমানকে জেল থেকে বের করে স্বাধীন বাংলার প্রধানমন্ত্রী বানিয়ে এদেশের মানুষের সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করেছিলেন। এতেই কি প্রমান হয় না তিনি দেশের শত্র“ ছিলেন। তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে এদেশের মানুষকে জিম্মি করতে চাই জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মাধ্যমে। বাংলার শান্তি প্রিয় মানুষ ও আওয়ামী যুবলীগ বেগম খালেদা জিয়ার এই অপকর্মের উচিত জবাব দেবে। সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক এসএম সামিউল আজম দিপু’র সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ৬নং ওয়ার্ড পুলিশিং কমিটির সভাপতি সাহাবুদ্দিন শেখ, সাধারন সম্পাদক মজিবর রহমান চুনি, যুবলীগ নেতা আপন বাশার, নেসার হাসান দিপসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

Advertisment ad adsense adlogger