রেজা আহম্মেদ জয় ॥ গতকাল ঝিনাইদহ শিল্পকলা একাডেমীতে বীর প্রতীক সিরাজুল ইসলাম মিলনায়তনে জেলা ছাত্রলীগের সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে “ছাত্র সমাজের করনীয়” শীর্ষক কর্মী সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাকিল আহম্মেদ’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই এম.পি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু। জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রানা হামিদ’র পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এ্যাড: আজিজুর রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক আব্দুল ওয়াহেদ জোয়ার্দ্দার, কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা ও ইউপি চেয়ারম্যান মকবুল হোসেন, সাবেক ছাত্রনেতা ইসমাইল হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জীবন কুমার বিশ্বাস, সাবেক ছাত্র নেতা এ এম হাকিম আহম্মেদ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক অশোক ধর, শৈলকুপা উপজেলা সাবেক সভাপতি সরোয়ার জাহান বাদশা, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশরাফ মাহামুদ জন ও সাবেক সাধারন সম্পাদক আছাদুজ্জামান আছাদ, সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মঞ্জুর পারভেজ তুষার, ইবি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ সাবেক সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর হুসাইন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আতিকুল হাসান মাসুম, সাবেক আহবায়ক জেলা ছাত্রলীগ শফিকুল ইসলাম শিমুল ও সাবেক সহ-সভাপতি বিশ্বজিৎ সাহা মিথুন। আরও উপস্থিত ছিলেন কেসি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আবু সুমন বিশ্বাস, এবং ঝিনাইদহ সদর থানা ছাত্রলীগ, শৈলকুপা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দিনার বিশ্বাস, হরিনাকুন্ডু, কোটচাদপুর, মহেশপুর, কালীগঞ্জ সহ জেলার সকল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারন সম্পাদক ও কর্মী বৃন্দ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন জঙ্গীরা দেশের সকল মানুষকে বিপদে ফেলার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। জঙ্গীরা বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনীদের মতো স্বঘোষিত খুনি। দেশের বিরুদ্ধে অন্যায় কর্মকান্ড শুরু করেছে এই সন্ত্রাসীরা। সে সময় প্রধান বক্তা তার বক্তব্য বলেন ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ করেছিল প্রয়োজনে এখন আবার ঐ সকল জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যভাবে মোকাবেলা করতে হবে। সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধের পক্ষ নিতে হবে, মাঝামাঝি থাকার কোন সুযোগ নেই। জঙ্গীদের আক্রমন কোন বিচ্ছন্ন ঘটনা নয়। এটা পরিকল্পিত, সন্ত্রাসীরা কোন ধর্ম, সংবিধান, দেশ, সংস্কৃতি, এবং আইন কানুন মানে না। তারা বাংলার কৃষ্টি-কালচার, সংস্কৃতি, মানবতাবোধ, সম্প্রীতি ও বন্ধন ধ্বংস করতে চায়। সকল ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের মাঝে ঐক্য তৈরী করার আহব্বান জানান এবং জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসবাদদের দমন করতে হবে। এলাকায় কোন অপরিচিত কাওকে দেখলে বা সন্দেহ মনে হলে তাকে আটকাতে হবে এবং সকলকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।