4524e6ffe2e279ab71398fcfc8069635-5

স্নায়ুর ওপর ছোট্ট একটা ঝড়ই গেল দর্শকদের। ৫ বলে ৫ রান দরকার পাকিস্তানের। টি-টোয়েন্টিতে এমন কোনো কঠিন সমীকরণ নয়। তবে শ্রীলঙ্কার দরকার ছিল মাত্র একটি উইকেট। বিনুরা ফার্নান্দের স্লোয়ার ডেলিভারিটা ইমাদ ওয়াসিম মারলেন লং-অন দিয়ে উড়িয়ে। বল নয়, উড়ে গেল লঙ্কানদের সিরিজে সমতা আনার স্বপ্ন। কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের এ জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা শহীদ আফ্রিদি ও আনোয়ার আলীর ঝোড়ো দুটি ইনিংস। শ্রীলঙ্কার মাটিতে টেস্ট, ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিতে নিল পাকিস্তান।

১৭৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাকিস্তানের জয়টা ফিকেই হতে বসেছিল একটা সময়। ৭.২ ওভারে ৪০ রানে ৫ উইকেটের পতন। দলকে কক্ষপথে ফেরায় মোহাম্মদ রিজওয়ান ও শহীদ আফ্রিদির ষষ্ঠ উইকেটে ৬১ রানের জুটি। এর মধ্যে আফ্রিদির অবদান ৪৪ রান। পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ২২ বলে ৪৫ রানের ঝোড়ো এক ইনিংস। আফ্রিদি বিদায়ের পরও ম্যাচে ছিল শ্রীলঙ্কা। তখনো পাকিস্তানের দরকার ৩৫ বলে ৬৬ রান। লঙ্কানদের চূড়ান্ত সর্বনাশ করেন নয়ে নামা আনোয়ার। ১৭ বলে ৪৬ রান করা আনোয়ারই কেড়ে নেন শ্রীলঙ্কার জয়ের স্বপ্ন। অষ্টম উইকেটে ইমাদকে ​নিয়ে ওভারপ্রতি ১২.৮৮ রানে গড়েন ৫৮ রানের কার্যকরী এক জুটি। দারুণ এক ইনিংস খেলা আনোয়ারই ম্যাচসেরা।
প্রথম ব্যাট করে শিহান জয়াসুরিয়ার ৪০ ও চামারা কাপুগেদেরার অপরাজিত ৪৮ রানের সুবিধা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭২ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। তবে শেষ পর্যন্ত আফ্রিদি-আনোয়ারের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে সব চেষ্টা বৃথা শ্রীলঙ্কার। সীমিত ওভার ক্রিকেটে এপ্রিলে বাংলাদেশের কাছে নাকাল হওয়ার পর দেশের বাইরে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল পাকিস্তান।