রোবটের নাম ফরফিয়াস। টেবিল টেনিস খেলতে পারে। বুঝতে পারে প্রতিদ্বন্দ্বী খেলোয়াড়ের শরীরী ভাষা। বুঝতে পারে তার সামর্থ্যের বিষয়টি। সে অনুযায়ী উপদেশ আর উৎসাহ দেওয়ার ক্ষমতাও রাখে। জাপানভিত্তিক ওমরন অটোমেশনের উদ্ভাবন এই ফরফিয়াস। ওমরনের কর্মকর্তা কেইথ কার্সটেন বলেন, রোবটটি আপনার অনুভূতি, খেলাধুলার ধরন বুঝতে পারবে। খেলোয়াড় পরবর্তী শট কী দেবে, সেটিও অনুমান করতে পারবে। আবেগপ্রবণ বুদ্ধিমত্তা ও সমানুভূতি দেওয়া হলে অনেকটা মানুষের মতো হতে পারে। জাপানের হোন্ডা ক্ষমতায়ন, অভিজ্ঞতা, সমানুভূতিবিষয়ক প্রোগ্রাম নিয়ে থি৶ ই-এ ১৮ নামে নতুন রোবট চালু করছে। হোন্ডা এক বিবৃতিতে বলছে, মুখের অভিব্যক্তি দেখে রোবট মানুষের প্রতি সহানুভূতি দেখাতে পারে। ফ্রান্সভিত্তিক ব্লু ফ্রগ রোবটিকসের জ্যঁ মিশেল মওরির বলেন, ‘আবেগপ্রবণ রোবট বানানোর জন্য আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি। এ বছরের শেষদিকে রোবটটি চালু করা হবে।’ এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, রোবটটিতে অনেক কিছু করতে পারার মতো ব্যবস্থা রয়েছে। এটি স্নেহ ও আদর চাইবে। কিহান টেকনোলজির স্যানবট এবং সফটব্যাংক রোবোটিকসের পিপারও বেশ কিছু মানবিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন রোবট বানিয়েছে। এই রোবটগুলো মানুষের আবেগ ও বিভিন্ন অনুভূতি বুঝতে পারে। সফটব্যাংক বলছে, পিপার মানুষের হাসি, ভ্রুকুটি, গলার স্বর, মাথা নাড়ানো ধরতে পারে। রোবটের মধ্যে আবেগ ও বুদ্ধিমত্তা উন্নয়নের কাজটি যথেষ্ট কঠিন। মুর ইনসাইটস অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজির প্রযুক্তি বিশ্লেষক প্যাট্রিক মুরহেড বলেন, সমানুভূতিসম্পন্ন রোবট বানানো কেবল প্রযুক্তির উন্নয়নের বিষয় নয়। এটি মনস্তাত্ত্বিক এবং বিশ্বাস অর্জনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।