ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি নয়, এবার চোখের সামনেই ঘুরতে থাকবে অগমেন্টেড রিয়্যালিটি প্রযুক্তির বিভিন্ন চরিত্র। এ জন্য চোখে চশমা বা ডিভাইসও ব্যবহার করতে হবে না। ৬৪ ইঞ্চি স্ক্রিনের বিশালাকার কাচের ফ্রেমেই ফুটে উঠবে অগমেন্টেড রিয়্যালিটি বা ডিপফ্রেম প্রযুক্তির ছবি। ডিপফ্রেম নামের ফ্রেমটি তৈরি করেছে ডেনমার্কের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান রিয়েলফিকশন। হালোস’ ভিনভাষার পত্রিকা বা ম্যাগাজিনে বিভিন্ন ব্যক্তির ছবি দেখার সুযোগ মিললেও তাদের নাম-পরিচয় জানা বেশ ঝামেলাই বটে। সমস্যার সমাধান দেবে ব্লিপারের তৈরি ‘হালোস’। ছবির ওপর স্মার্টফোন রাখলেই চেহারা স্ক্যান করে নামসহ সেই ব্যক্তির বিভিন্ন তথ্য জানাতে পারে অগমেন্টেড রিয়ালিটি প্রযুক্তির এ্যাপটি। এমনকি যমজ ব্যক্তিদের চেহারাও প্রায় নির্ভুলভাবে শনাক্ত করতে পারে। এ জন্য প্রায় চার লাখ ব্যক্তির তথ্য যুক্ত করা হয়েছে এ্যাপটিতে। শীঘ্রই এ্যাপটি ব্যবহারের সুযোগ মিলবে। রোবট রাইডার রোবটিক্স সিইএস-এ ক্রমেই আরও বেশি প্রতিপত্তি অর্জন করছে, বিশেষ করে যখন সিইএস-এর ঘোষিত লক্ষ্য হলো, ‘বুদ্ধিযুক্ত, স্বয়ংচালিত সব যন্ত্র, যা আমাদের জীবনধারা পাল্টে দিচ্ছে।’ এ বছরের প্রদর্শনীতে ‘মোটোবট’ নামের এক যান্ত্রিক মোটর সাইকেল চালককে দেখানো হয়েছে (ছবি)। কিন্তু এ ধরনের রোবটিক্সের কোন বাস্তব, ব্যবহারিক উপযোগিতা আছে কিনা, সে বিষয়ে সমালোচকরা নিশ্চিত নন।