ইউটিউব জানিয়েছে, যারা তাদের সাইটের সুনাম ক্ষুন্ন করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে। ইউটিউবের চীফ এক্সিকিউটিভ সুজান ওজস্কি বলেছেন, কিছু ভিডিও ব্লগারের খুবই বাজে ধরণের আচরণ পুরো ভিডিও ব্লগার কমিউনিটির ক্ষতি করছে। সম্প্রতি একজন জনপ্রিয় ভিডিও ব্লগার লোগান পল একটি ভিডিওতে একজন আত্মহত্যাকারীর মৃতদেহ দেখানোর পর ইউটিউবের ব্যাপক সমালোচনা হয়। জাপানের একটি জঙ্গল, যেটি ‘সুইসাইড জঙ্গল’ বলে পরিচিত, সেখানে এই মৃতদেহ পড়েছিল। প্রতি বছর সেখানে অনেক মানুষ আত্মহত্যা করতে যায়। উল্লেখ্য জাপানের আত্মহত্যার হার খুব বেশি। এ ঘটনার পর অবশ্য ইউটিউব কর্তৃপক্ষ লোগান পলের বিরুদ্ধে বেশ কিছু ব্যবস্থা নেয়। ইউটিউবে বিতর্কিত কোন ভিডিওর পাশে যেন বিজ্ঞাপন দেখা না যায়, সেটা নিশ্চিত করতে ইউটিউব তাদের ‘এলগরিদম’ ব্যবহার করছে। কিন্তু ইউটিউবে ভিডিও ব্লগিং করে তারকায় পরিণত হয়েছেন এমন অনেকে অভিযোগ করছেন, তাদের ভিডিওকে এখন ভুলবশত এই ক্যাটাগরিতে ফেলে বিজ্ঞাপন থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তারা আরও অভিযোগ করছেন, ইউটিউবের নীতিমালায় স্বচ্ছতার অভাব আছে। তবে একটি ব্লগ পোস্টে ইউটিউবের প্রধান নির্বাহী সুজান ওজস্কি বলেছেন, তিনি ইউটিউবের ব্যাপারে মানুষের যে আস্থা সেটা আরও বাড়াতে চান। তিনি বলেন, কিভাবে নানা সমস্যার আরও ভালো সমাধান খোঁজা যায়, তারা সেই চেষ্টা করছেন। এজন্যে ভিডিও পর্যালোচনার কাজটি এখন আরও বেশি মডারেটর নিয়োগের মাধ্যমে করার কথা ভাবা হচ্ছে। “কেউ বাজে কিছু করলে তার জন্য যেন পরিণতি ভোগ করতে হয় সে ধরণের নীতিমালা আমরা এখন তৈরি করছি।” ইউটিউব তাদের কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরি করতে চায়। সুজান ওজস্কি বলেন, “যদিও এরকম বাজে কাজের ঘটনা বিরল, কিন্তু তারপরও এটি ইউটিউবের সুনামের বড় ক্ষতি করতে পারে। ইউটিউবের একজন বড় তারকা হ্যাংক গ্রীন এক ব্লগ পোস্টে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। দেশটির সংবিধান অনুসারে কোনো সংশোধনী গণভোটের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়। এ পরিস্থিতিতে ভোটের আগে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী অ্যাটর্নিস্টিক গর্ভপাতের অনুমতি দিতে একটি আইনের খসড়া সংসদে উত্থাপন করার উদ্যোগ নিয়েছেন।