Home2018-11-19T15:09:49+00:00
এইমাত্র পাওয়া
“বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও শিক্ষকতা” প্লাজমা বিজ্ঞানী ড.এ এ মামুনদৌলতপুরে নির্বাচনী জনসভায় মাহবুব উল আলম হানিফ “উন্নয়নের ধারা অক্ষুন্ন রাখতে রাখতে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে”ইবির সিন্ডিকেটে নতুন ৪ সদস্য, স্থান পেয়েছেন সদ্য বিদায়ী সফল প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমানইবির সিন্ডিকেটে নতুন ৪ সদস্য, স্থান পেয়েছেন সদ্য বিদায়ী সফল প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমানদিঘলকান্দিতে নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেছেন কুষ্টিয়া-১ আসনের নৌকার প্রার্থী সরওয়ার জাহান বাদশার স্ত্রী মাহমুদা খানমদেড় শতাধিক দরিদ্র শীতার্ত পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তারুণ্য’৩ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে দৌলতপুরের রিফাইতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইছাহক আলীর আওয়ামীলীগে যোগদানইবি ক্যাম্পাসে টুরিজম বিভাগের সভাপতি ড. মাহবুবুল আরফিন চলছে সমালোচনার ঝড়, বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য!রাতের বুকজ্বলা সমস্যার ঘরোয়া সমাধান৩৬০ ডিগ্রি ফটো ও ভিডিও দেখতে ফেসবুকের নতুন অ্যাপএকাদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে গ্রাফিতি অঙ্কন কর্মসূচিতে জাবি ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর অংশগ্রহণবঙ্গবন্ধু আইন পরিষদ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এর শাখার নতুন কমিটিনিউজ ফিডে পরিবর্তন আনল ফেসবুকযে অভ্যাসগুলো ত্যাগ করা উচিতযে গ্রামে শিশুকে ধূমপানে উৎসাহিত করা হয়..মাত্র এক মাসেই উচ্চতা বাড়ায় এই ১৫টি খাবারএবার আরও নির্ভুল অনুবাদ করবে গুগল ট্রান্সলেটপাঁচ বিষয়ে কখনো ই-মেইল করবেন নাএকাদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে জাবি ছাত্রলীগের গ্রাফিতি অঙ্কননোবেলের অর্থে হাসপাতাল করবেন নাদিয়া

অন্যান্য

রাজনীতি

ইতিহাস ও ঐতিহ্য

বিশেষ প্রতিবেদন

কৃষি সমাচার

খেলাধুলা

“বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা ও শিক্ষকতা” প্লাজমা বিজ্ঞানী ড.এ এ মামুন

১.সমুদ্রের তীরে বসে দীর্ঘ সময় রাতের খোলা নীল আকাশের চাঁদের দিকে তাকিয়ে ঘাড় ব্যথা করে ফেলেছি, কিন্তু কোন রমণীর সুন্দর মুখ তো অনেক দূরের কথা, কোন রমণীর কায়াটুকুও খুঁজে পাইনি, একই ভাবে বৃক্ষরাজির পাশে বসে বহুবার রাতে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি, কোনো এলোকেশী নারীর এলোকেশ তো অনেক দূরের কথা, উড়ে আসা ধান গাছের কোনো শুকনো খড়ও দেখতে পাইনি, কারণ প্রাকৃতিক অপার সুন্দর্য্যের উপর গবেষণা করার আগ্রহ বা দক্ষতা কোনোটাই আমার মধ্যে জন্মাতে পারিনি। তাই আমি চাঁদকে চাঁদই দেখি, আর গাছকে গাছই দেখি। আমার এ ব্যর্থতার উপমা দেয়ার একটিই কারণ, সেটি হলো প্রকৃতি ও প্রকৃতির কথা, জীবন ও জীবনের কথা, মানুষ ও মানুষের কথা, সমাজ ও সমাজের কথা, ইত্যাদি যে কোনো বিষয়ের উপর যিনিই গবেষণা করুন না কেন, তিনিই গবেষক, তিনিই সত্য ও সুন্দরের সাধক। বিজ্ঞান ভিত্তিকই হোক বা শিল্পকলা ভিত্তিকই হোক, আজ যে গবেষণালব্ধ তথ্য সঠিক বলে গ্রহণ করা হয়েছে, কালকে যে সেটি ভূল বলে প্রমাণিত হবে না, সেটা কেউই বলতে পারে না। গবেষণার ফল যাই হোক না কেন, সত্যিকারের গবেষণা মস্তিস্ককে শানিত করে এবং সেই সঙ্গে সময় উপযোগী জ্ঞান দান করে। এই শানিত মস্তিস্ক আর সময় উপযোগী জ্ঞান দ্বারা যিনি শিক্ষার্থীকে পাঠ দান করেন তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বলে। এ জন্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের পদোন্নতিতে গবেষণা মূলক প্রবন্ধদের সংখ্যা শর্ত হিসেবে বিবেচণা করা হয়, কলেজ শিক্ষকদের পদোন্নতিতে তা করা হয় না, এটাই কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটা অন্যতম পার্থক্য। তাই যে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা বা গবেষণার কোনো পরিবেশ নেই, তাকে বিশ্ববিদ্যালয় বলা যায় কিনা – এ প্রশ্ন আমার অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষতেও থাকবে যে পর্যন্ত না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্থক্য অনুধাবন করতে পারেন। বিজ্ঞান ভিত্তিকই হোক বা শিল্পকলা ভিত্তিকই হোক, আজ যে গবেষণালব্ধ তথ্য সঠিক বলে গ্রহণ করা হয়েছে, কালকে যে সেটি ভূল বলে প্রমাণিত হবে না, সেটা কেউই বলতে পারে না। গবেষণার ফল যাই হোক না কেন, সত্যিকারের গবেষণা মস্তিস্ককে শানিত করে এবং সেই সঙ্গে সময় উপযোগী জ্ঞান দান করে। এই শানিত মস্তিস্ক আর সময় উপযোগী জ্ঞান দ্বারা যিনি শিক্ষার্থীকে পাঠ দান করেন তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বলে। এ জন্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের পদোন্নতিতে গবেষণা মূলক প্রবন্ধদের সংখ্যা শর্ত হিসেবে বিবেচণা করা হয়, কলেজ শিক্ষকদের পদোন্নতিতে তা করা হয় না, এটাই কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটা অন্যতম পার্থক্য। তাই যে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা বা গবেষণার কোনো পরিবেশ নেই, তাকে বিশ্ববিদ্যালয় বলা যায় কিনা – এ প্রশ্ন আমার অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষতেও থাকবে যে পর্যন্ত না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্থক্য অনুধাবন করতে পারেন। ২. অনেক বিশ্লেষক (যদিও আমার মতে শিক্ষকদের শিক্ষা দানের মানদন্ড নির্ণয়ে শিক্ষার্থীরাই বড় বিশ্লেষক) গবেষণা ও পাঠ দানের উপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের চার ভাগে ভাগ করে থাকেন: ক) ভালো গবেষক এবং ভাল শিক্ষক; খ) ভালো গবেষক, কিন্তু ভাল শিক্ষক নন; গ) ভালো গবেষক নন, কিন্তু ভাল শিক্ষক; ঘ) ভাল গবেষকও নন, আবার ভাল শিক্ষকও নন। প্রথম ক্যাটেগরির শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি নন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদ। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ক্যাটেগরির শিক্ষকদের নিয়ে আমার কিছুটা হলেও ভিন্ন মত রয়েছে। আমি বিশ্বাস করতে চাই: ব্যাক্তি বিশেষে উপস্থাপনা ভিন্নতর হলেও, সত্যিকারের একজন ভাল গবেষক চাইলে ভাল শিক্ষক না হয়ে থাকতে পারে না, কারণ তাঁর রয়েছে শানিত মস্তিস্ক ও সময় উপযোগী জ্ঞান। ভাল শিক্ষক ও ভাল গবেষক, একে অপরের পরিপূরক। তাই, ভাল শিক্ষক অবশ্যই একজন ভাল গবেষক যদি না তিনি সময় উপযোগী জ্ঞান অর্জনে ক্লান্ত না হয়ে পরেন। চতুর্থ ক্যাটেগরির একজন শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের শুধুই একটা Burden। কীভাবে এবং কেন এই Burden কম-বেশি আমাদের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ে বেড়েই চলছে তার কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষকই শুধু নয়, সকল সচেতন নাগরিকই অনুধাবন করতে পারেন বলে আমার বিশ্বাস। কর্মচারী/কর্মকর্তা নিয়োগে আমার মত অনেক শিক্ষকেরই তেমন কোনো মাথা ব্যাথা নেই, কিন্তু শিক্ষক নিয়োগে যখন মেধা ও গবেষণার (শানিত মস্তিষ্কের) তেমন কোনো স্থান দেয়া হয় না, তখন অধিকাংশ শিক্ষকই দারুণ ভাবে মর্মাহত হন, সেই সঙ্গে নিয়োগকর্তাদের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেন। কারণ এ ধরনের শিক্ষক নিয়োগে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণার মানই কমায় না, সেই সঙ্গে আমাদের প্রিয় সন্তান তুল্য শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণার প্রতিযোগিতায় নামতে দারুন ভাবে নিরুৎসাহিত করে। আমাদের একটি কথা ভুলে গেলে চলবে না যে শিক্ষার্থীদের জন্যেই শিক্ষক, শিক্ষকদের জন্যে শিক্ষার্থী নয়। এ অনুধাবন থেকেই ২০১২ সনে আমার প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার সম্মানিত শিক্ষক ও সহকর্মীগন আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি নির্বাচিত করেছিলেন এবং সেই সঙ্গে তৎকালীন শিক্ষক-নির্বাচিনী বোর্ডের সভাপতি অর্থাৎ তৎকালীন উপাচার্যকে (অত্যন্ত দূরদর্শী ও উচ্চশিক্ষাবান্ধব মাননীয় প্রাধানমন্ত্রীর সহযোগিতায়) পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিলেন। এ অপ্রাসঙ্গিক কথাটি বলার উদ্দেশ্যে হলো চতুর্থ ক্যাটেগরির শিক্ষক যে কয়েকটি স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে, তার একটি (ব্যাক্তিগত স্বার্থ) পূরণ হলেও বাকি কোনোটাই পূরণ হয় না বলে অন্তত আমি মনে করি। জাতীয় স্বার্থ ও শিক্ষা/গবেষণার মান রক্ষার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ ক্যাটেগরির শিক্ষক নিয়োগ বন্ধের কোনো বিকল্প নেই, আর তার জন্যে আবশ্যক হয়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ/দশ মিনিটের মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যামে

দৌলতপুরে নির্বাচনী জনসভায় মাহবুব উল আলম হানিফ “উন্নয়নের ধারা অক্ষুন্ন রাখতে রাখতে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে”

খালিদ হাসান রিংকু
দৌলতপুরে উপজেলা আওয়ামীলীগ’র আয়োজনে গতকাল বিকেলে দৌলতপুর সরকারী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় চত্বরে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করা হয়। জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অঅওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মাহবুব উল আলম হানিফ। নির্বাচনী জনসভায় সভাপতিত্ব করেন দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মইন উদ্দিন মহন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি বলেন, বর্তমান সরকারের বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশ আজ নিম্নবিত্ত দেশের থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উন্নিত হয়েছে। দেশের শতভাগ মানুষ উন্নয়নের সুবিধাগ্রহনের সুযোগ পেয়েছে। সাধারণ মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। হানিফ এমপি আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-১ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থী আ.ক.ম সরওয়ার জাহান বাদশাকে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারা ধরে রাখতে হলে আওয়ামীলীগ সরকার প্রয়োজন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সদর উদ্দিন খান, সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলী, সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব রবিউল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম বিপ্লব, দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব রেজাউল হক চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-১ আসনের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আ.ক.ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক এ্যাডঃ হাসানুল আসকার হাসু, কুষ্টিয়া জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদিকা এ্যাড. শামস তানিম মুক্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক আফরোজা আক্তার ডিউ, জান্নাতুল মাওয়া রনি, সেলিনা হক আয়না, টিপু নেওয়াজ, দৌলতপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি বুলবুল আহমেদ টোকেন চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক আব্দুল কাদের, যুবলীগ নেতা ওয়াসিম কবিরাজ, দৌলতপুর ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি গাজী সালাউদ্দিন বাবু, সাধারন সম্পাদক রুয়েন আহমেদ, সাক্কির আহম্মেদ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ইয়াছিন আলী শফি, তৌকির আহামেদ, মোমেনুর রহমান মহন, ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদ সদস্যসহ জেলা ও উপজেলার আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগের নেতাকর্মীবৃন্দ।

বিশাল এই নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠানটি পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ শরীফ উদ্দিন রিমন ও দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আল মামুন। বক্তারা আগামী ৩০ তারিখে নৌকায় ভোট দিয়ে আ.ক.ম সরওয়ার জাহান বাদশাহকে বিপুলভোটে জয়যুক্ত করার প্রতি আহ্বান জানান। স্বরণকালের সর্ববৃহৎ এই জনসভা জনসমুদ্রে পরিনত হয়। আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসহযোগি সংসঠনের নেতাকর্মীদের হাজার হাজার নেতা কর্মীর উপস্থিতিতে জনসভা স্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উঠে।

ইবির সিন্ডিকেটে নতুন ৪ সদস্য, স্থান পেয়েছেন সদ্য বিদায়ী সফল প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান

স্টাফ রিপোর্টার
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি উপর থেকে- (ড. মাহবুবর রহমান-ড. অরবিন্দু সাহা) নিচ থেকে- (ড. তপন কুমার জোর্দ্দার-শামীম মুহাম্মদ আফজাল) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে নতুন চারজন সদস্য মনোনিত হয়েছেন। রবিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪৩তম সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত মতাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী তাদেরকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনয়ন করেন। এবিষয়ে এস এম আব্দুল লতিফ বলেন, পূর্বের চার সদস্যের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪৩তম সিন্ডিকেট সভায় আগামী দুই বছরের জন্য তাদেরকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। নতুন সিন্ডিকেট সদস্যরা হলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমান (এমিনেন্ট ক্যাটাগরি, জেনারেল এডুকেশন), ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক শামীম মুহাম্মদ আফজাল (এমিনেন্ট ক্যাটাগরি, ইসলামিক এডুকেশন), জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান হল প্রভোস্ট ও ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোর্দ্দার (প্রভোস্ট ক্যাটাগরি) এবং ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. অরবিন্দু সাহা (ডিন ক্যাটাগরি)। ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান এর আগে ২০০৯ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেসময় প্রতিক্রিয়াশীলদের প্রবল বাধার মুখে তিনি হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ও বাংলাদেশের মানচিত্র স্থাপন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন। ড. মাহবুবর রহমান ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বিভাগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একইসাথে ২০১৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০১৪ প্রথম মেয়াদে প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১৫ সালে ২য় মেয়াদে প্রক্টরের দায়িত্ব পান। এসময় তিনি ক্যাম্পাসে বিনাপ্রয়োজনে বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। একইসাথে জঙ্গী, সন্ত্রাস ও মাদক বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন। এছাড়া মাদক নির্মূলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসহ বিভিন্ন স্থানে সফলভাবে অভিযান চালিয়ে ব্যাপক প্রসংশা কুড়ান। ক্যাম্পাসে সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরী করে ইবি পরিবারে দৃষ্টান্ত তৈরী করেছেন। দুর্ণীতির বিরুদ্ধে বর্তমান প্রশাসনের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর প্রায় প্রতিটির অনুসন্ধানি রির্পোটে তাঁর ভুমিকা প্রসংশিত হয়েছে। সর্বশেষ গত রবিবার তিনি সিন্ডিকেটে সদস্য হিসেবে মনোনিত হয়েছেন। শামীম মুহাম্মদ আফজাল ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত আছে। এছাড়া অধ্যাপক ড. অরবিন্দু সাহা ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৮০ এর ১৯ (১) ধারা অনুযায়ী আগামী ২ বছরের জন্য তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনিত হয়েছেন।

ইবির সিন্ডিকেটে নতুন ৪ সদস্য, স্থান পেয়েছেন সদ্য বিদায়ী সফল প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান

স্টাফ রিপোর্টার
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি উপর থেকে- (ড. মাহবুবর রহমান-ড. অরবিন্দু সাহা) নিচ থেকে- (ড. তপন কুমার জোর্দ্দার-শামীম মুহাম্মদ আফজাল) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটে নতুন চারজন সদস্য মনোনিত হয়েছেন। রবিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪৩তম সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত মতাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী তাদেরকে সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনয়ন করেন। এবিষয়ে এস এম আব্দুল লতিফ বলেন, পূর্বের চার সদস্যের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪৩তম সিন্ডিকেট সভায় আগামী দুই বছরের জন্য তাদেরকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। নতুন সিন্ডিকেট সদস্যরা হলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও সাবেক প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমান (এমিনেন্ট ক্যাটাগরি, জেনারেল এডুকেশন), ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক শামীম মুহাম্মদ আফজাল (এমিনেন্ট ক্যাটাগরি, ইসলামিক এডুকেশন), জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান হল প্রভোস্ট ও ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. তপন কুমার জোর্দ্দার (প্রভোস্ট ক্যাটাগরি) এবং ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. অরবিন্দু সাহা (ডিন ক্যাটাগরি)। ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান এর আগে ২০০৯ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেসময় প্রতিক্রিয়াশীলদের প্রবল বাধার মুখে তিনি হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল ও বাংলাদেশের মানচিত্র স্থাপন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন। ড. মাহবুবর রহমান ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বিভাগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একইসাথে ২০১৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ২০১৪ প্রথম মেয়াদে প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০১৫ সালে ২য় মেয়াদে প্রক্টরের দায়িত্ব পান। এসময় তিনি ক্যাম্পাসে বিনাপ্রয়োজনে বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। একইসাথে জঙ্গী, সন্ত্রাস ও মাদক বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন। এছাড়া মাদক নির্মূলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলসহ বিভিন্ন স্থানে সফলভাবে অভিযান চালিয়ে ব্যাপক প্রসংশা কুড়ান। ক্যাম্পাসে সিসি ক্যামেরা স্থাপনসহ নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরী করে ইবি পরিবারে দৃষ্টান্ত তৈরী করেছেন। দুর্ণীতির বিরুদ্ধে বর্তমান প্রশাসনের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর প্রায় প্রতিটির অনুসন্ধানি রির্পোটে তাঁর ভুমিকা প্রসংশিত হয়েছে। সর্বশেষ গত রবিবার তিনি সিন্ডিকেটে সদস্য হিসেবে মনোনিত হয়েছেন।
শামীম মুহাম্মদ আফজাল ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত আছে। এছাড়া অধ্যাপক ড. অরবিন্দু সাহা ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৮০ এর ১৯ (১) ধারা অনুযায়ী আগামী ২ বছরের জন্য তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে মনোনিত হয়েছেন।

দিঘলকান্দিতে নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেছেন কুষ্টিয়া-১ আসনের নৌকার প্রার্থী সরওয়ার জাহান বাদশার স্ত্রী মাহমুদা খানম

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনিত কুষ্টিয়া-১ অাসনে নৌকার প্রার্থী এ্যাড. আ.ক.ম সরওয়ার জাহান বাদশার জন্য নৌকা প্রতীকে ভোট প্রতিদিনের ন্যায় আজ দৌলতপুরের দিঘলকান্দি গ্রামে গণসংযোগ করেছেন মাহমুদা খানম। তিনি এ্যাড. আ.ক.ম সরওয়ার জাহান বাদশার স্ত্রী। গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারনাকালে মাহমুদা খানম বলেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। এই বিপুল সংখ্যক নারীদের পিছনে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর নারীদের এগিয়ে নিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করছেন। তিনি বলেন, আজ নারীরা সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছে। এটি সম্ভব হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার নারীবান্ধব বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা সৃষ্টির কারনে। আজ বাংলাদেশের নারীরা সর্বক্ষেত্রে সফলতার সাক্ষর রেখে চলেছেন। আগামীদিনে নারীবান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠায় নারীদের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে শেখ হাসিনা সরকারের কোন বিকল্প নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাই আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনিত, শেখ হাসিনা মনোনিত প্রার্থীকে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার প্রতি আহ্বান জানান। দিনব্যাপী তিনি বেশ কয়েকটি পথসভা করে আসন্ন নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে ভোট দিতে আহ্বান জানান। নির্বাচনী পথসভা ও গণসংযোগে মাহমুদা খানমের সাথে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, দৌলতপুর উপজেলা ছাত্রলীগ যুগ্ম আহ্বায়ক আনিচুর রহমান আনিচ, যুগ্ন-আহবাযক আব্দুল্লা বিন জোহানী তুহিন, মামুন, রাকিব, আকিজ, ছোটন, রিংকুসহ প্রমুখ।

দেড় শতাধিক দরিদ্র শীতার্ত পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তারুণ্য’

দেড় শতাধিক দরিদ্র শীতার্ত পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তারুণ্য’ । বুধবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে কুষ্টিয়া শহরের পৌর ৬নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়। তারুণ্যের সাংগঠনিক সম্পাদক সালেহ ফুয়াদ ও সদস্য সচিব সাদিয়া আফরিন খানের যৌথ উপস্থাপনায় জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ‘তারুণ্য’-এর উপদেষ্টা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডক্টর মো. মাহবুবর রহমান, সহকারী প্রক্টর ও গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আনিছুর রহমান, স্কুল কমিটির সভাপতি রইচ উর রহমান, সহ-সভাপতি ও কুষ্টিয়া রোটারেক্ট ক্লাবের সভাপতি ওবায়দুর রহমান। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহের মানুষের অনুদানের টাকায় এ শীতবস্ত্র সংগ্রহ করে বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি আরমান রেজা জয় বলেন, রাত বিরাতে, সময়ে-অসময়ে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহের মানুষ তাদের প্রসূতি মা ও নবজাতককে বাঁচানোর জন্য তারুণ্যের শরণাপন্ন হোন। তারুণ্যের স্বেচ্ছাসেবীগণ তাৎক্ষণিক রক্ত দিতে ছুটে আসেন। ধর্ম-বর্ণ, ধনী-দরিদ্র—কোনো পরিচয়ই এখানে বাধা হয় না। ফ্রি রক্তদান ছাড়াও, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্যে সামর্থানুযায়ী হাত বাড়িয়ে দেয় ‘তারুণ্য’। এরই ধারাবাহিকতায় শীতবস্ত্র বিতরণের কাজটিও আমরা প্রতি বছর করে থাকি। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তাইয়েব হোসেন জনি বলেন, অবারিত সম্ভাবনা নিয়ে জাগ্রত তারুণ্য—এই স্লোগানকে সামনে রেখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল মেধাবী ও আত্মপরিচয়ে বলিয়ান তরুণ ২০০৯ সালে এই সংগঠনটি গড়ে তোলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী এই সংগঠনটি সেই থেকে নানা ধরণের জনকল্যাণ মূলক কাজ করে আসছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও সংগঠনটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মো. মাহবুবররহমান বলেন, ক্যাম্পাসের বাইরে যেভাবে কাজ করছে ‘তারুণ্য’, ঠিক একইভাবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবারের ভেতরেও কাজ করছে তারা। অর্থের অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আটকে থাকা শিক্ষার্থীকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় তারুণ্যের স্বেচ্চাসেবীরা, একইভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আত্মউন্নয়নের জন্য ইয়ুথ লিডারশীপ ট্রেনিংসহ আয়োজন করে থাকে বিভিন্ন সেমিনার-সিম্পোজিয়াম। তরুণদের শিল্প-সাহিত্য ও বইমুখী করতে ইতোমধ্যে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেছে একটি পাঠাগার। এসব নন্দিত কাজের জন্য এখানকার মানুষের আস্থা ও ভালবাসার সংগঠন হয়ে উঠেছে ‘তারুণ্য’।

Advertisment ad adsense adlogger