Home2018-11-19T15:09:49+00:00
এইমাত্র পাওয়া
Homeএবার আরও নির্ভুল অনুবাদ করবে গুগল ট্রান্সলেটপাঁচ বিষয়ে কখনো ই-মেইল করবেন নাএকাদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে জাবি ছাত্রলীগের গ্রাফিতি অঙ্কননোবেলের অর্থে হাসপাতাল করবেন নাদিয়া৪০০ দিন পর খোঁজ মিলল সৌদি ধনকুবেরেরফিলিস্তিনকে মুক্ত করার ঘোষণা হামাসেররামাল্লায় ইসরাইলি সেনার গুলিতে ফিলিস্তিনি কিশোর নিহতজেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী স্বীকৃতি অস্ট্রেলিয়ারমানবিজে অভিযান চালাবে তুরস্ক: এরদোগানবাংলাদেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বাড়াতে চায় ভারতকলচার্জ বাড়ানোর ওপর হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা১০ লাখ টাকায় নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন!পিকআপের অতিরিক্ত চাকার ভেতর থেকে ইয়াবা উদ্ধারজাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশনির্বাচনী পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আছে, ভোট সুষ্ঠু হবে: সিইসিনির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত দেশে যেসব হামলার ঘটনা ঘটেছে তা সবই লন্ডনে বসে তারেক রহমানের পরিকল্পনার ফসল— কুষ্টিয়ায় মাহবুব উল আলম হানিফনিজেদের হামলার ছকেই মাহবুবউদ্দিন খোকন গুলিবিদ্ধ: কাদেরবীর শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

অন্যান্য

রাজনীতি

ইতিহাস ও ঐতিহ্য

বিশেষ প্রতিবেদন

কৃষি সমাচার

মাত্র এক মাসেই উচ্চতা বাড়ায় এই ১৫টি খাবার

বিজ্ঞান বলে বয়স ১৮ বছর হয়ে গেলেই মানুষ আর লম্বা হয় না। কিন্তু মানবদেহ জীবনভরই উচ্চতা বাড়ানোর জন্য দায়ী হরমোন নিঃসরণ করতে থাকে। আর এই হরমোনই আমাদের উচ্চতা বাড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভুমিকা পালন করে। পিটুইটারি গ্ল্যান্ড থেকে এই হরমোন নিঃসরিত হয়। বলা হয়ে থাকে কেউ যদি নিয়মিতভাবে একটি সুস্থ্য ও সক্রিয় জীবন-যাপন করতে পারেন তাহলে তার উচ্চতা বাড়ানো সম্ভব। শরীরচর্চা এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসও উচ্চতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক ভুমিকা পালন করে। এমন বিশেষ কিছু খাবার আছে যেগুলো উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক। আসুনে জেনে নেওয়া যাক।

১. শীম
শীমে আছে প্রচুর ভিটামিন এবং প্রোটিন যা আপনার উচ্চতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রধান ভুমিকা পালন করে। শীমে থাকা খনিজ উপাদান টিস্যু এবং মাংসপেশি গঠনে কাজ করে। যা স্বাভাবিকভাবেই উচ্চতা বাড়ায়।

২. ডাল বা মটরশুটি
এই জাতীয় খাদ্য নানা ভিটামিন এবং খনিজ পুষ্টিতে সমৃদ্ধ যা উচ্চতা বাড়ায়। এছাড়া মটরদানা জাতীয় খাদ্যে কয়েকটি উচ্চতা বৃদ্ধির হরমোনও আছে।

৩. ব্রোকলি
এতে আছে উচ্চহারে ভিটামিন সি, আঁশ এবং আয়রন। এটি দেহের কার্যক্রম ঠিক রাখতে এবং দৈহিক বৃদ্ধির জন্য দায়ী হরমোনের উদ্দীপনা বাড়াতে সহায়ক।

৪. শালগম
এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ পুষ্টি এবং খাদ্য আঁশ। এটি আমাদের দেহের বৃদ্ধির জন্য দায়ী হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে।

৫. গরুর দুধ
গরুর দুধে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম আমাদের হাড়ের উন্নয়ন ও হাড় শক্তিশালীকরণে কাজে লাগে। গরুর দুধে থাকা ভিটামিন এ দেহের ক্যালসিয়াম সংরক্ষণেও কাজ করে এবং এর সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিতে সহায়তা করে। ক্যালসিয়াম প্রাকৃতিকভাবে উচ্চতা বাড়ানোর সহায়ক উপাদানগুলোর একটি।

৬. ফল
মাল্টা, পেপে, আম, এপ্রিকোট এবং প্যাশন ফ্রুটে আছে ভিটামিন, পটাশিয়াম, আঁশ এবং ফোলেট। এর সবগুলো উপাদান হাড়ের বৃদ্ধি এবং উচ্চতা বৃদ্ধিতেও কাজ করে।

৭. তালের গুড়+দুধ
খালি পেটে এই মিশ্রণটি খেলে দুর্দান্ত ফল পাওয়া যায়। দুধের সঙ্গে তালের গুড় মিশিয়ে খালি পেটে দুধের কার্যকারিতা দশগুন বৃদ্ধি পায়। এই মিশ্রণটি খেলে সবগুলো পুষ্টি উপাদান সহজেই শুষে নিতে পারে আমাদের দেহ।

৮. কালো তিল+কাজুবাদাম+অশ্বগন্ধা+দুধ
অশ্বগন্ধা এইচজিএইচ হরমোন নিঃসরণের হার ঠিক রাখে। আর এ কারণেই এটি উচ্চতা বৃদ্ধিতে এতটা কার্যকর। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং ঘনত্ব বাড়াতেও কার্যকর। কালো তিলে আছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন বি ও আয়রন। এটি ক্যালসিয়ামেরও ভালো উৎস। হাড়ের বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক এসব উপাদান। কাজুবাদামে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম যেগুলো হাড়ের বৃদ্ধিতে জরুরি খনিজ উপাদান।
আর এই সবগুলো উপাদান দুধের সঙ্গে মিলে উচ্চতা বাড়ায়। প্রতিদিন রাতে দুধের সঙ্গে এক চামচ অশ্বগন্ধা, কাজুবাদাম এবং কালো তিলের পাউডার মিশিয়ে পান করুন।

৯. সয়া বিন
সয়া বিনে যে প্রোটিন থাকে তা হাড় এবং টিস্যুর ঘনত্ব বাড়ায়। যা তাদের বৃদ্ধির জন্যও জরুরি। নিয়মিতভাবে খেলে আপনার হাড়ের আকার ভালো থাকবে এবং স্বাস্থ্যকর উন্নয়ন হবে। প্রতিদিন অন্তত ৫০ গ্রাম সয়া বিন খেতে হবে।

১০. বাদাম
বাদামও উচ্চ পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ। এতে যে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যামাইনো এসিড থাকে তা দেহের টিস্যু মেরামত এবং নতুন হাড় ও মাংসপেশির বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ফলে উচ্চতাও বাড়ে।

১১. সবুজ পাতাবহুল শাক-সবজি
অসংখ্য উপায়ে সবুজ পাতাবহুল শাক-সবজি আমাদের উপকারে আসে। এতে থাকে প্রচুর খাদ্য আঁশ, ভিটামিন এবং খনিজ পুষ্টি যা স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক। এছাড়া দেহের গ্রোথ হরমোন নিঃসরণে উদ্দীপনাও যোগায় তা।

১২. গাজর
এই খাবারটি ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ। হাড়ে ক্যালসিয়াম সংরক্ষণ এবং হাড়ের বৃদ্ধিতে উৎসাহ যোগায় এসব উপাদান। প্রতিদিন অন্তত ৩টি করে গাজর খেলে দেহের উচ্চতা বাড়ে।

১৩. পূর্ণ শস্য
দেহ থেকে বর্জ্য নিঃসরণে সহায়ক পূর্ণ শস্যজাতীয় খাদ্য। যার ফলে আমরা যা কিছুই খাই না কেন তার কার্যকারিতা বেড়ে যায়। এই জাতীয় খাদ্য ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য দরকারি। এছাড়া এতে আছে ক্যালোরি যা বয়ঃসন্ধিকালে উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক।

১৪. ডিম
ডিম উচ্চতা বাড়াতে সবচেয়ে কার্যকর জনপ্রিয় খাদ্য। ডিমে আছে ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম এবং রিবোফ্ল্যাবিন। ডিমে থাকা উচ্চমাত্রার প্রোটিন উপাদান হাড়ের উন্নয়ন ও হাড়কে শক্তিশালীকরণে কাজ করে।

১৫. কুমড়ো বীজ
এরা ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ। যা হাড় ও দাঁতের গঠনের জন্য জরুরি। এছাড়া এতে আছে অ্যামাইনো এসিড যা উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক ভুমিকা পালন করে।

এবার আরও নির্ভুল অনুবাদ করবে গুগল ট্রান্সলেট

বিজ্ঞানের এক অত্যাশ্চর্য আবিস্কার গুগল ট্রান্সলেট। এই ট্রান্সলেটরের দ্বারা কোন বাক্য বা শব্দ যেকোন ভাষায় অনুবাদ করে নেওয়া যায়। সেটাও আবার সেকেন্ডের মধ্যে! টেক জায়ান্ট গুগল দিনে দিনে এই ট্রান্সলেটরকে আরও উন্নত আরও নির্ভূল করার কাজ করে যাচ্ছে। এতে অংশগ্রহণ করেছে সাধারন মানুষও।

বর্তমানে গুগল ট্রান্সলেটে ইংরেজি শব্দের সঠিক অর্থ পাওয়া গেলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটা পুরো বাক্যের সঠিক অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়না। এবার এই সমস্যার সমাধানে নতুন এক ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছে গুগল কর্তৃপক্ষ। এই ব্যবস্থার নাম ‘নিউরাল মেশিন ট্রান্সলেশন’ বা এনএমটি, যা গুগল ট্রান্সলেট এর ভুল ৫৫ থেকে ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত কমাবে বলেই জানিয়েছে গুগোলের কর্মকর্তারা।

গুগল টান্সলেট এর ১০ বছর পূর্তিতে এই ঘোষণা করা হয়েছে। যা নিঃসন্দেহে একটি মাইলস্টোন হয়ে থাকবে। গুগলের ‘ব্রেন টিম রিসার্স’-এর বিজ্ঞানী কোয়াক লি ও মাইক স্কুস্টার বলেছেন, গুগল ইমেজ ও বিবৃতিকে উন্নত করতে মেশিন ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করেছে। কিন্তু তখন মেশিন ট্রান্সলেশন উন্নত করাটা তাদের জন্য ছিলো চ্যালেঞ্জিং একটা ব্যাপার। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতেই এবার এনএমটি সংযোজন করা হয়েছে।

পাঁচ বিষয়ে কখনো ই-মেইল করবেন না

ই-মেইলের আবির্ভাবের পর ভাবা হয়েছিল, এবার বুঝি যোগাযোগ সহজতর হবে। আর যোগাযোগের ক্ষেত্রে আগের চেয়ে কম সময়ে বেশি দক্ষতা সহকারে কাজ সম্পন্নও করা যাবে।

কিন্তু বেঁচে যাওয়া সময়টুকু মানু্ষরা ইন্টারনেট প্রযুক্তির বদৌলতে দ্রুতই নানা ধরনের তৎপরতায় ব্যয় করা শিখে গেছেন। যার ফল হয়েছে, ই-মেইলের বদৌলতে আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি যোগাযোগ করতে পারছি ঠিকই; কিন্তু যোগাযোগ দক্ষতার তেমন কোনো উন্নতি হয়নি বললেই চলে। যাইহোক, সময় বাঁচানো ও ভুল বুঝাবুঝি থেকে রেহাই পেতে কিছু বিষয় পুরোপুরি অফলাইনেই আলোচনা করাই ভালো।

এখানে এমন পাঁচটি বিষয় তুলে ধরা হলো যেগুলো আপনি অনলাইনে আলোচনা না করে অফলাইনে আলোচনা করলেই বেশি ভালো ফল পাবেন।

১. দুঃসংবাদ দেওয়া
দুঃসংবাদ দেওয়া সহজ কাজ নয়; বিশেষত যখন আপনার বস বা ম্যানেজারকে দুঃসংবাদটি দিতে হয় তখন তা আরো কঠিন হয়ে পড়ে। আর ই-মেইলে কোনো দুঃসংবাদ দিলে তা আরো বেশি ভুল বুঝাবুঝি তৈরি করবে। এতে আপনার বস মনে করবেন আপনি বিষয়টি নিয়ে উদাসীন এবং খোলামেলা আলোচনায় আগ্রহী নন। অথবা আপনি এতটাই আতঙ্কগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা কাঁচা যে কঠিন কোনো বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করার মতো যোগ্যতাই নেই আপনার।
সুতরাং কাউকে দুঃসংবাদ দিতে হলে তা সরাসরিই পৌঁছে দিন।

২. ঠিক কী বলতে হবে সে বিষয়ে নিশ্চিত না হলে
কোনো ঘটনা ঘটার পর তা নিয়ে প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে বরং নিজেকে ওই ঘটনার নিয়ন্ত্রণকারীর আসনে বসানোর চেষ্টা করাই ভালো। কিন্তু অনলাইন প্রযুক্তির কারণে কোনো বিষয়ে আমরা প্রধানত দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতেই অভ্যস্ত হচ্ছি। আমরা আমাদের ইনবক্স দ্রুত খালি করার চাপই শুধু অনুভব করি। আর বেশিরভাগ ই-মেইলেরই উত্তর দেওয়াটা জরুরি মনে হতে থাকে।
ফলে প্রায়ই আমরা ঠিক কীভাবে কোনো ই-মেইলের উত্তর দিলে ভালো হবে সে ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়েই টাইপ করা শুরু করি। তারচেয়ে বরং একটু সময় নিন এবং বিষয়টি সম্পর্কে আরো তথ্য-উপাত্ত অনুসন্ধান করুন। বিষয়টি নিয়ে আপনি ঠিক কী ভাবছেন এবং আপনি কী বলতে চান তা পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে হুট করেই কোনো ই-মেইলের উত্তর দিতে যাবেন না।

৩. কাউকে কড়া কথা বলতে
কারো সঙ্গে সরাসরি বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হওয়া এড়াতে আমরা হয়ত অনলাইনেই তার সঙ্গে আলাপ করতে চাইতে পারি। এর পেছনে যে ধারণা কাজ করে তা হলো, ই-মেইলেও বুঝি আমরা কাউকে যতটা আঘাত করতে চাই ঠিক ততটা আঘাত করেই কোনো কথা বলা সম্ভব।
কিন্তু বাস্তবে কখনোই তা ঘটেনা। সূতরাং কাউকে কড়া কথা বলতে চাইলে সরাসরি মুখোমুখি হয়ে বলাটাই উত্তম।

৪. রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে হলে
সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে আপনি যখন ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত থাকবেন তখন কোনো বিষয়ে পরিষ্কার করে চিন্তা করাটা একটু কঠিনই বটে। আর এমন পরিস্থিতিতে আবেগের তাড়নাও উচ্চপর্যায়ে অবস্থান করতে পারে। সূতরাং ওই সময়টাতে ই-মেইলের উত্তর না দেওয়াই উত্তম।
তার চেয়ে বরং আপনি একটি খসড়া তৈরি করে রাখতে পারেন। পরে সকালে ঘুম থেকে উঠে পরিষ্কার মাথায় পুনরায় সেটির ওপর একবার নজর বুলিয়ে নিন; এরপর তা পাঠিয়ে দিন।

৫. বেতন বাড়ানোর দাবি জানাতে
চাকরিতে বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবি জাননোর ক্ষেত্রে ই-মেইল ব্যবহার ন করাই ভালো। কারণ বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কথা বললেই কর্তৃপক্ষ ভাববে আপনি বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। আর এর জন্য যদি কোনো প্রশ্নোত্তর পর্বের মুখোমুখি হতে হয় তার জন্যও আপনি প্রস্তুত আছেন। কিন্তু ই-মেইলে বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবি জানালে ভুল বুঝাবুঝি হতে পারে।
সূতরাং এমন বিষয়ে সরাসরি আলাপ-আলোচনা করাই ভালো।

একাদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে জাবি ছাত্রলীগের গ্রাফিতি অঙ্কন

আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা হাতে নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর সংগ্রামী সভাপতি মো: জুয়েল রানা ও বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সুফিয়ান চঞ্চল এর নেতৃত্বে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে দেয়াল চিত্রাঙ্কন কর্মসূচী বিশ্ববিদ্যালয় এর সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেছে।

দেয়াল চিত্রাঙ্কন এ অংশগ্রহণ করেছেন,জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা বিভাগের এক ঝাক মেধাবী শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে অনেকেই শাখা ছাত্রলীগ এর নেতা-কর্মী।

দেওয়াল চিত্রাঙ্কন প্রসঙ্গে জাবি ছাত্রলীগ এর সভাপতি মো: জুয়েল রানা বলেন,,আসন্ন নির্বাচনে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি, স্বাধীনতার একমাত্র প্রতীক নৌকা মার্কার প্রচারণার অংশ হিসেবে এই দেয়াল চিত্রাঙ্কন কর্মসূচি।
তিনি আরও বলেন,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ এর প্রত্যেকটা স্তরের নেতা-কর্মী নিজ নিজ জায়গা থেকে নৌকার পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন।
তরুণ ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,তারুণ্যের প্রথম ভোট যেন স্বাধীনতার পক্ষেই হয়।

শাখা ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সুফিয়ান চঞ্চল বলেন,উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকাকে বিজয়ী করার জন্য নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতা-কর্মী।তারই অংশ হিসেবে নৌকার প্রচারণার জন্য দেয়াল লিখন ও গ্রাফিতি অঙ্কনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা রাত-দিন কাজ করে চলেছে।ইনশা্আল্লাহ আমারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করে উন্নয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে সর্বদা সোচ্চার থাকব।

নোবেলের অর্থে হাসপাতাল করবেন নাদিয়া

নোবেল পুরস্কার থেকে পাওয়া ৫ লাখ ডলারের পুরোটা দিয়ে হাসপাতাল বানাবেন এ বছর শান্তিতে নোবেলজয়ী ইরাকের নাদিয়া মুরাদ। যৌন নির্যাতনের শিকার নারী ও কিশোরীদের জন্য উত্তর ইরাকে নিজ শহর সিনজারে এ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন তিনি।

তার এ পরিকল্পনায় ইরাক ও কুর্দিস্তান সরকার ইতিমধ্যে সমর্থনও জানিয়েছে। এজন্য ইরাকি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের যৌনদাসী থেকে মানবাধিকার চ্যাম্পিয়ন নাদিয়া শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘নোবেল পুরস্কার থেকে যে অর্থ আমি পেয়েছি, তা দিয়ে সিনজারের অসুস্থ মানুষের জন্য একটি হাসপাতাল নির্মাণ করব। প্রধানত আইএস যোদ্ধাদের হাতে নির্যাতিত নারীদের চিকিৎসার সুযোগ থাকবে এ হাসপাতালে।

শনিবার এ খবর দিয়েছে রয়টার্স। যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া কঙ্গোর ডাক্তার ডেনিস মুকওয়েজ (৬৩) ও ইরাকের ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের নারী অধিকারকর্মী নাদিয়া মুরাদ (২৫) সোমবার নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করেছেন। নাদিয়া ও ডেনিস এ বছর যৌথভাবে শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। তারা অসলোতে সে পুরস্কার গ্রহণ করবেন।

নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি অক্টোবরে তাদের নোবেল বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করে। যুদ্ধের অস্ত্র ও সশস্ত্র সংঘাতে যৌন সহিংসতার ব্যবহার বন্ধ করার প্রচেষ্টা চালানোয় নাদিয়া ও ডেনিসকে এ পুরস্কার দেয়া হয়। ডেনিসকে ‘ডক্টর’ মিরাকেল হিসেবে ডাকা হয় তার সার্জারির দক্ষতার জন্য। তিনি ২০ বছর ধরে যুদ্ধবিধ্বস্ত ডিআর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে নারীর ওপর ধর্ষণের ভয়াবহ ক্ষত ও তীব্র মানসিক আঘাত থেকে মুক্ত করতে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন।

৪০০ দিন পর খোঁজ মিলল সৌদি ধনকুবেরের

মোহাম্মদ আল আমোদি। ইথিওপীয় বংশোদ্ভূত সৌদি নাগরিক। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিশ্বের অন্যতম ধনকুবের। প্রভাবশালী এই ব্যক্তিত্ব হঠাৎই ‘নিখোঁজ’ হয়ে যান। তিনি কোথায় আছেন, কী অবস্থায় আছেন তার কোনো হদিস নেই। এমনকি তার কোনো তথ্য জানা নেই তার পরিবারেরও।

একটানা ৪০০ দিন পর আবার হঠাৎ করেই ‘খোঁজ’ মিলেছে। জানা গেছে, সৌদির পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন তিনি। ‘দুর্নীতি আর ঘুষ’ দেয়ার অভিযোগে বিচারের অপেক্ষায় আছেন তিনি। সৌদি সরকারের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বৃহস্পতিবার বু­–মবার্গ নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যায় বিশ্বজুড়ে টালমাতাল অবস্থা আমোদির ফিরে আসার খবরে যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে তার পরিবার ও বন্ধু-স্বজন। দীর্ঘদিন নিজের ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে অনুপস্থিতি থাকলেও বিশ্বব্যাপী তার বাণিজ্য সাম্রাজ্য আরও বিস্তৃত হয়েছে। ব্ল–মবার্গের মতে, গত ৪০০ দিনে তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৭৬০ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ৮৩০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।

ক্রাউন প্রিন্স হিসেবে মনোনীত হওয়ার পরই নিজের ক্ষমতা আরও কুক্ষিগত করতে ২০১৭ সালের নভেম্বর হঠাৎই ‘দুর্নীতিবিরোধী অভিযান’ শুরু করেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ঘুষ ও দুর্নীতির ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২০১ জনকে আটক করা হয়।

আধুনিক সৌদি আরবের ইতিহাসে দেশটির শীর্ষ পর্যায়ে এমন ব্যাপক অভিযান বিরল বলে অভিহিত করেন বিশ্লেষকেরা।

আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম ধনকুবের তালাল বিন আল ওয়ালিদ, সাবেক বাদশাহ আবদুল্লাহর পুত্র ও রাজধানী রিয়াদের সাবেক গভর্নর প্রিন্স তুর্কি বিন আবদুল্লাহ ও প্রসিদ্ধ সৌদি ব্যাংকিং গ্র“প মাহফুজ পরিবারের তিন ধনকুবের। একই সময় ‘হাওয়া’ হয়ে যান মোহাম্মদ আল-আমোদি। অন্য সবার খোঁজ মিললেও এতদিন ধরে ‘নিখোঁজ’ই ছিলেন তিনি।

Advertisment ad adsense adlogger